Cheap International Calls from Free Bhutan Telecom (B-Mobile) Tourist SIM

As soon as you arrive in Paro international AirportBhutan, you can avail a Prepaid tourist SIM card for free from Bhutan Telecom (B-Mobile) by just giving them your passport number and filling up a simple form. The SIM comes with Nu.100.00 preloaded, so you have to pay that upfront.

After completing all immigration procedures, you will see Bhutan Telecom counter right beside the money exchange counter (by they way use this money exchange counter to exchange your currency as they provide the best rate than outside banks). Any ways, let’s go back to our topic. Just walk in and ask for a Prepaid Tourist SIM. Most of the time they do not have any Micro/Nano SIM, so if your phone do not take regular size SIM card, you have to cut it from outside shops. Your taxi driver or travel guide may help you with that.

B-Mobile’s international tariff is quite high, but there is a very good way you can make cheap international calls as low as Nu.4.00 per minute. Unfortunately this is not mentioned anywhere on their website or promotions. To make that, just add 010 in front of your number. So the number format would be:
010 – Country Code (without 00 or plus + sign) – number.

For example if I want to call a Bangladeshi number +8801712345678, the format for cheaper tariff number would be:
0108801712345678. Like that if I want to call +6141765432 in Australia, the format would be:
0106141765432. I hope you get it by now.

And pay as you go 2G/3G is also quite reasonable for email or social networking. The SIM card will say it comes with 3G pre-activated but I did not find my one working. So if that is also your case, you can  just call 1600 from the number for free, follow the IVR to talk to an agent and they’ll activate that for you. Bhutan do not have very good 3G coverage, but 2G works fine everywhere where you have network coverage. So never set your phone to use 3G/4G only.

Oh! and set internet as Access Point Name in your phone to get the internet working for you.

ই-কমার্স – বাংলাদেশ পরিস্থিতি এবং ভবিষ্যৎ!

তথ্য প্রযুক্তি এখন মানব জীবনের একটি আবিছেদ্য অংশ। বিশ্বায়নের কল্যাণে উন্নত দেশের খোঁজখবর ঘরে বসেই পাওয়া সম্ভব। উন্নত বিশ্বের সাথে তাল মেলাতে গিয়ে বাংলাদেশের ব্যবসা-বাণিজ্যেও প্রযুক্তির ছোঁয়া লেগেছে। তবে এই ক্ষেত্রে বাইরের বিশ্ব যেখানে অনেক অগ্রসর, বাংলাদেশ সেখানে অনেকটা পিছিয়ে আছে। ইন্টারনেট প্রযুক্তির ব্যবহারের কারনে এখন যোগাযোগ ব্যবস্থা হয়ে উঠেছে অনেক সহজ এবং দ্রুততর। ফলশ্রুতিতে ব্যবসা-বানিজ্যের প্রচার ও প্রসার ঘটছে দ্রুত। বর্তমানে বাংলাদেশে যে ডিজিটাল যুগের সূচনা হয়েছে তারই পথ ধরে ই-কমার্স বা ইন্টারনেট ভিত্তিক ব্যবসা বাণিজ্য আরো জনপ্রিয় হয়ে উঠছে।

আমাদের দেশে ই-কমার্সের সূচনা নব্বইয়ের দশকের শেষের দিকে যখন ইন্টারনেট জনসাধারণের হাতে পৌঁছে। এখন প্রশ্ন হচ্ছে ই-কমার্স বলতে আমরা কি বুঝি? সহজ ভাষায় এর অর্থ হচ্ছে ইলেকট্রনিক কমার্স। ইন্টারনেটের মাধ্যমে যখন ব্যবসা করা হয় তখন সেটা ই-কমার্স নামে পরিচিত হয়। এটা বিভিন্ন ভাবে গড়ে উঠতে পারে, যেমন: দু’টি বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানের মধ্যে (বি-টু-বি), বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান এবং সরকারী প্রতিষ্ঠানের মধ্যে (বি-টু-জি), বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান এবং ক্রেতার মাঝে (বি-টু-সি), এমনকি ক্রেতা এবং ক্রেতার মাঝেও (সি-টু-সি) এই বাণিজ্যিক সম্পর্ক হতে পারে।

বাংলাদেশে বি-টু-বি এর প্রচলন সবচেয়ে বেশি। এর কারন হচ্ছে আমাদের গার্মেন্টস সেক্টর। তৈরি পোশাক শিল্পের ক্রেতাগণ সাধারণত ইন্টারনেটের মাধ্যমেই বিক্রেতার সাথে যোগাযোগ স্থাপন করে এবং কোম্পানির ওয়েবসাইট থেকে স্যাম্পল সংগ্রহ করে থাকে। উন্নতবিশ্বে বি-টু-সি এবং সি-টু-সি খুবই জনপ্রিয় এবং সহজলভ্য হলেও বাংলাদেশ এই ক্ষেত্রে অনেক পিছিয়ে আছে। বর্তমানে কিছু ওয়েবসাইট ইন্টারনেটের মাধ্যমে কেনাবেচার সুবিধাগুলো প্রদান করছে তবে তার পরিসর স্বল্প। এই অনগ্রসরতার কারণ হিসেবে মনে করা হয় আমাদের দুর্বল প্রযুক্তি ব্যবস্থা এবং ইন্টারনেট ব্যবহারে অনগ্রসরতা। এছাড়াও বাংলাদেশের ধীর গতির ইন্টারনেট সার্ভিস এবং আন্তর্জাতিক মানের পেমেন্ট গেটওয়ে না থাকার কারনেও উপরক্ত দুটি সেক্টর প্রসার লাভ করছেনা। কিন্তু এত প্রতিবন্ধকতা সত্তেও আশার আলো হিসেবে ইন্টারনেটে কেনাকাটা বা প্রয়োজনীয় জিনিসের তথ্য খুঁজে বের করা এখন অনেক জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে।

যেসব ক্ষেত্রে আমরা এখন ইন্টারনেটের শরণাপন্ন হচ্ছি তার মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ হচ্ছে বিল পরিশোধ, হোটেল বুকিং, বিমানের টিকেট বুকিং, অনলাইন ব্যাংকিং, নতুন-পুরাতন দ্রব্যাদি ক্রয়-বিক্রয়, রিয়াল এস্টেট ব্যবসা, গাড়ি বা অন্যান্য যানবাহন ক্রয়-বিক্রয় ইত্যাদি। ঘরে বসেই মানুষ এখন বিভিন্ন সেবার যেমন: গ্যাস, পানি, বিদ্যুৎ, টেলিফোন ইত্যাদির বিল পরিশোধ করতে পারে। এগুলো সম্ভব হয়েছে মোবাইল ব্যংকিং এর কারনে। এছাড়া সম্প্রতি মোবাইল ব্যংকিং এর মাধ্যমে টাকা পাঠানো জনপ্রিয়তা লাভ করেছে সব শ্রেণী পেশার মানুষের কাছে। বিভিন্ন শপিংমলে এখন ইলেকট্রনিকালি বিল পরিশোধের ব্যবস্থা আছে। সুপারমার্কেটগুলোতে কার্ড পেমেন্টের ব্যবস্থা থাকায় ক্রেতারা অনেকটা নিশ্চিন্ত মনে বাজার করতে পারেন। উন্নত বিশ্বে মানুষ ঘরে বসেই তাদের নিত্য দিনের বাজার করছে অনায়াসে। ইবে, আমাজন ছাড়াও অনেক প্লাটফর্ম আছে যারা এই সুবিধা গুল প্রদান করে থাকে। আমাদের দেশে অনলাইনে কেনাবেচার জন্য বর্তমানে অনেক ওয়েবসাইট রয়েছে যেমন: বিপনি, ইবিপনন, আইফেরি, রকমারী, প্রিয়শপ, লামুদি, ক্লিকবিডি, এখনি, উপহারবিডি, কারমুদি, গিফটবিডি, সামগ্রি, বিডিহাট, ইত্যাদি। এই ওয়েবসাইটগুলো থেকে মানুষ তাদের প্রয়োজনীয় দ্রব্যাদি বা উপহার সামগ্রী ঘরে বসেই ক্রয় করতে পারে।

উপরে যেসব ওয়েবসাইট গুলো উল্লেখ করা হয়েছে এগুলোর বাইরেও অনেক ওয়েবসাইট আছে যেগুলো একই সুবিধা প্রদান করে থাকে। তবে তুলনামূলক ভাবে এই সেক্টরটি এখনো বিভিন্ন প্রতিকূল পরিস্থিতির শিকার হচ্ছে। আমাদের দেশের ব্যংকিং ব্যবস্থা এখনো আশানুরূপ ভাবে নিরাপদ না। অনেক ব্যংক এখনো অনলাইন ব্যবস্থা চালু করতে পারেনি। সাধারণ মানুষের মাঝে কার্ড ব্যবহারের প্রচলন ও কম। এখানে একটা বিষয় উল্লেখ না করলেই নয় যে, অনলাইনে কেনাকাটা যেমন সুবিধাজনক, এর কিছু খারাপ দিক ও আছে। অনেক ক্ষেত্রে পণ্যের গুনাগুণ ঠিক থাকেনা, আবার গ্রাহকের প্রতারিত হওয়ার আশংকাও থাকে। তবে আশার কথা এই যে, নানাবিধ প্রতিকূলতা সত্ত্বেও অনলাইন কেনাকাটা বাংলাদেশে জনপ্রিয়তা লাভ করছে। মোবাইল ইন্টারনেট এবং ওয়াই ফাই ইন্টারনেটের প্রসারের কারনে সর্বসাধারণের হাতের নাগালে ইন্টারনেট পৌঁছেছে। এখন প্রয়োজন মানুষের মাঝে সচেতনতা তৈরি এবং বিক্রিত দ্রব্যাদির মান নিশ্চিতকরণ।  এটা যদি খুব দ্রুত করা সম্ভব হয় তাহলে ই-কমার্সের দুই সেক্টর খুব দ্রুত বিকাশ লাভ করবে বলে আশা করা যায়।

মূল লেখা: বুলবুল আনোয়ার

Install Google Apps and Play Store on Nokia X, X+ and XL

অল্প দামের মধ্যে সুন্দর অ্যানড্রোয়েড ফোন নোকিয়া X, X+ এবং XL. দেরীতে আসলেও চমৎকার পারফর্মেন্স এই ফোনগুলির। তবে সমস্যা হলো এই ফোনে গুগলের প্লে স্টোর সরাসরি থাকেনা, আর নোকিয়ার স্টোরে তেমন কোনো অ্যাপ না থাকায় পাওয়ার ইউজারদের একটু হতাশার মধ্যেই থাকতে হবে। তবে গুগল্ অ্যাপ দেয়াটাও কঠিন কিছুনা, কিছুক্ষণ সময় আর কয়েকটা ডাউনলোড করলেই হয়ে যায়। পরবর্পতি ধাপগুলি ফলো করলেই আপনার ফোনে গুগল অ্যাপ চলে আসবে, তবে পরবর্তী ধাপে যাবার আগে নিশ্চিত হোন আপনার ফোনে সম্পুর্ণ চার্জ আছে।

গুগল্ অ্যপ ইনস্টল করতে আমাদের প্রথমে ফোনটি আপডেট করতে হবে ১.১.১ ফার্মওয়্যারে (নতুন ফোনগুলি অবশ্য এই ভার্শন দিয়েই আসছে এখন)। ফার্মওয়্যারের ভার্সন দেখার জন্য যেতে হবে Settings -> About Phone, যদি ফার্মওয়্যার এই ভার্সনের না হয়ে থাকে তাহলে ফোনটিকে ইন্টারনেটের সাথে কানেক্ট করলেই আপডেট নোটিফিকেশন আসবে বা Settings -> About Phone -> System Updates থেকে আপডেট চেক্ করা যাবে এবং আপডেট হলে পরবর্তি ধাপগুলিতে যেতে হবে।

এবার নোকিয়া স্টোর থেকে ES File Explorer File Manager সফটওয়্যারটি ইনস্টল করে নিতে হবে। এটি পরে কাজে লাগবে।

এবার কম্পিউটার থেকে এই লিঙ্ক থেকে Root_NokiaX_v11.1.1_KashaMalaga_25_03_2014 ফাইলটি ডাউলোড করে এক্সট্রাক্ট করতে হবে।

উপরের ছবির মতো, ভেতরে দু’টি ফোল্ডার পাওয়া যাবে। প্রথমে NokiaX USB Drivers -> Nokia -> usb_driver ফোল্ডারে গিয়ে nokia_winusb.inf ফাইলে রাইটক্লিক্ করে install অপশনটি নির্বাচন করতে হবে।

এতে নোকিয়ার ড্রাইভারগুলি ইনস্টল হয়ে যাবে। এরপর কম্পিউটারটিকে ইন্টারনেট থেকে বিচ্ছিন্ন করে নোকিয়া মোবাইলটিকে USB দিয়ে কম্পিউটারের সাথে সংযুক্ত করতে হবে। এই সময় আপনা থেকে ড্রাইভার ইনস্টল হবে। এই পর্যায়ে Settings -> Developer Options-এ গিয়ে Developer Options-এর পাশের সুইচটি স্লাইড করে এই উইন্ডোর অপশনগুলি অ্যাকটিভ করতে হবে।

করার পরে একটি কনফার্মেশন ডায়লগ আসবে সেটা OK করতে হবে।

পরে USB Debugging চেক্‌বক্সটিতে ট্যাপ করে টিক্ দিতে হবে এবং প্রশ্নের ডায়লগবক্সটিতে OK করতে হবে।

সাথে সাথে কম্পিউটার আরেকটি ড্রাইভার চিনবে এবং ইনস্টল করবে। (ইন্টারনেটে সংযুক্ত থাকলে এই ড্রাইভার খুঁজতে এবং ইনস্টল করতে অনেক সময় লেগে যায়, যেটা আমার উপরের ধাপে আগে থেকেই করে রেখেছি, তারপরেও উইন্ডোজ ইন্টারনেটে অকারণে কি-যেনো খুঁজতে থাকে) ড্রাইভার ইনস্টলের প্রক্রিয়া শেষ হলে কম্পিউটারটিকে আবার ইন্টারনেটে সংযুক্ত করে আনজিপ করা KingRoot_NokiaX_Mod ফোল্ডারে গিয়ে SuperRoot.exe ফাইলটি চালু করতে হবে।

এবার সফটওয়্যারটি Nokia X, X+ বা XL-কে চিনবে এবং প্রয়োজনীয় ফাইল ইন্টারনেট থেকে ডাউনলোড করবে। ডাউনলোড হলে উইন্ডোর মাঝখানে Root নামের একটি বাটন অকার্যকর অবস্থায় থাকবে। সেই উন্ডোর উপরে Agree অপশন নির্বাচন করলে Root বোতামটি কার্যকর হবে এবং ক্লিক্ করলে ফোনটি রুট হয়ে যাবে। কম্পিউটার যদি ইন্টারনেটে সংযুক্ত না থাকে, তাহলে এই সফটওয়্যার কাজ করবেনা।

এবার ফোন কম্পিউটার থেকে বিচ্ছিন্ন করে রিস্টার্ট দিলে Superuser নামের একটি সফটওয়্যার ইনস্টল হয়েছে দেখা যাবে।

এবার এই লিঙ্ক থেকে NokiaX_Gapps_KashaMalaga_28.02.2014.zip ফাইলটি ডাউনলোড করে এক্সট্রাক্ট করে মোবাইলের মেমরিতে কপি করে রাখতে হবে। মনে রাখতে হবে ফাইলগুলি কোথায় কপি করে রাখা হলো। এবার ES File Explorer File Manager সফটওয়্যারটি চালু করে নীচের ছবিতে হাইলাইট করা বাটনে ট্যাপ করতে হবে।

ট্যাপ করলে অপশন ট্রে বের হবে, সেখানে Root Explorer-এর পাশের বোতামটিকে স্লাইড করে Root Explorer অপশনটি চালু করতে হবে।

প্রায় সাথে সাথে এপ্রুভাল চেয়ে একটি পপ-আপ উইন্ডো আসবে, সেখানে Grant-এ ট্যাপ করে ES File Explorer File Manager-কে Root ক্ষমতা দিতে হবে।

এরপরে আবার অপশন ট্রে’র Root Explorer লেখাটির উপরে ট্যাপ করলে নীচের মতো উইন্ডো আসবে, সেখানে Mount R/W অপশনে ট্যাপ করতে হবে।

এবার যে উইন্ডোটি আসবে সেখানে নীচের উইন্ডোর মতো বুলেটগুলি সেট করতে হবে।

এবার ES File Explorer File Manager-এর অ্যাড্রেস বারে (নীচের ছবিতে চিহ্নিত) ট্যাপ করে NokiaX_Gapps_KashaMalaga_28.02.2014.zip থেকে পাওয়া ফাইলগুলি যেই ফোল্ডারে রাখা হয়েছিলো সেখান থেকে কপি করতে হবে।

এবং একই ভাবে /Device -> System -> app ফোল্ডারে গিয়ে ফাইলগুলি পেস্ট করে দিতে হবে। কি কি ফাইল থাকবে তা এই তালিকা থেকে মিলিয়ে নিতে পারেন:

ChromeBookmarksSyncAdapter.apk, com.google.android.gms-1.apk, GenieWidget.apk, GoogleBackupTransport.apk, GoogleCalendarSyncAdapter.apk, GoogleContactsSyncAdapter.apk, GoogleEars.apk, GoogleFeedback.apk, GoogleLoginService.apk, GooglePartnerSetup.apk, GoogleServicesFramework.apk, GoogleTTS.apk, Hangouts.apk (এটি ঐচ্ছিক, আপনি হ্যাঙ আউট ব্যবহার না করলে এটা কপি করার দরকার নাই), MediaUploader.apk, Microbes.apk, NetworkLocation.apk, OneTimeInitializer.apk, Phonesky.apk, SetupWizard.apk, Street.apk, Talkback.apk, Thinkfree.apk এবং VoiceSearchStub.apk

পেস্ট করা হয়ে গেলে প্রতিটি ফাইলের উপর ট্যপ করে ধরলে উইন্ডোর নীচে আরও অপশনের টুলবার দেখাবে সেখানে More বাটনে ক্লিক্ করে Properties নির্বাচন করতে হবে।

এখান Properties উইন্ডো আসবে, সেখানে Permission-এ Change বাটনে ট্যাপ করতে হবে।

এবার যেই উইন্ডোটি আসবে সেটাতে নীচের ছবির মতো চেক্‌বক্সগুলি টিক্ দিয়ে বা তুলে নিয়ে সেট করে OK করতে হবে।

যে কয়টি ফাইল পেস্ট করা হলো, প্রতিটির ক্ষেত্রে এই কাজ করতে হবে, একটু সময় নিয়ে করতে হবে, যাতে ভুল না হয়ে যায়।

এর পরে ফোন রিস্টার্ট করলেই দেখা যাবে গুগলের অ্যাপগুলি হোম স্ক্রিনে চলে এসেছে। এবার প্লে স্টোরে লগ-ইন করে নামিয়ে নিন আপনার পছন্দের অ্যাপ। আর নোকিয়ার হোম স্ক্রিন ভালো না লাগলে শত শত লঞ্চার আছে গুগল প্লেতে! :)

মাইক্রোসফটের কাছে পাওয়া শেষ চেক্!

গত ২০১২ সালের জুন মাসে মাইক্রোসফট ছেড়েছি, সবার ক্ষেত্রে যা হয় আমার ক্ষেত্রেও তাই হলো, ছাড়ার সময় কিছু দেনা পাওনা থেকেই গেলো। আমি অনেক ভাগ্যবান যে গত ২৫ তারিখে শেষ পাওনা চেক্‌টি হাতে পেয়েছি। শেয়ার করার মতো একটি বিষয় বলে শেয়ার না করে পারলাম না।

এখান থেকে একটি বিষয় শিক্ষা নেয়া যায়, সহসা কিছু হচ্ছেনা বলে আমরা অনেকসময় নিরাশ হয়ে যাই, অনেক সময় নিজের উপরে নিয়ন্ত্রন হারিয়ে ফেলি, একটু ধৈর্য্য ধরলেই কিন্তু আমরা যা চাই, তা পেয়ে যাই। :)

Root Walton Walpad 8b, Walpad 8w, Walpad 8 and Walpad 7

ওয়ালটনের ওয়ালপ্যাডগুলি সাধ্যের মধ্যে দাম এবং পারফর্মেন্সও সুন্দর। কিন্তু অ্যানড্রোয়েডের আমার যে জিনিসটা ভালোলাগেনা, সেটা হলো বাংলা ফন্ট। তাই রুট করে ফন্টটা ফেলে মনের মতো ফন্ট ইনস্টল করাই হচ্ছে আমার প্রথম কাজ। রুট করার পদ্ধতিটা এত সহজ এবং মজার যে না শেয়ার করে পারলাম না।

প্রথমে Settings -> About Tablet-এ গিয়ে ডানের কলামে Build Number অংশটিতে চট্‌পট্ কয়েকবার (সম্ভবত দশবার) ট্যাপ করতে হবে।

Walton Walpad

করতে করতেই বামের About Phone-এর উপরে Developer Options নামে নতুন একটি অংশ আসবে। বাম কলাম থেকে সেই Developer Options নির্বাচন করে ডান কলামে USB Debugging অপশনটিতে ট্যাপ করে টিক্ দিতে হবে।

Walton Walpad

উপরের ঘরের মতো একটি সতর্কীকরণ বার্তা আসবে, সেটাতে OK করে দিতে হবে। ভয়ের কিছু নাই, এটা ক্ষতির কিছু না, আর প্রক্রিয়াটি শেষ হলে একইভাবে টিক্‌টি আবার তুলে দেয়া যাবে।

Walton Walpad

এবার বামের কলামে Security নির্বাচন করে ডানের কলামে Unknown Sources অপশনটিতে ট্যাপ করে টিক্ দিতে হবে। আমি যে প্রক্রিয়াটি বলছি, সেটা অনুকরণ করলে যে ঝামেলা হবেনা, সেটা নিশ্চিত হবার জন্য পরের Verify Apps অপশনটিতেও ট্যাপ করে টিক্ দেয়া যেতে পারে। এতে করে সম্পুর্ণ প্রক্রিয়াটি গুগল পরীক্ষা করবে।

এবার ট্যাবলেট থেকে এই লিঙ্কে গিয়ে Framaroot-এর সর্বশেষ সংষ্করণটি ডাউনলোড করে নিতে হবে (আমার ক্ষেত্রে আমি ব্যবহার করেছি ১.৯.১ সংষ্করণটি), এবং সেই .apk ফাইলটা চালু করতে হবে।

স্ক্রিনে আসা নির্দেশনাগুলি অনুসরণ করলে Framaroot ইনস্টল হয়ে যাবে এবং সেটা চালু করলে এরকম একটি উইন্ডো দেখতে পাবো:
সেখানে Barahir অপশনটি নির্বাচন করলে রুট করার প্রক্রিয়া চালু হবে এবং কোনো ঝামেলা না থাকলে সফলভাবে সম্পন্ন হবে এবং ট্যাবলেটটি রিস্টার্ট করতে বলবে। রিস্টার্ট করার পরে আমরা অ্যাপ ট্রে-তে SuperSU নামের একটি অ্যাপ দেখতে পাবো। সেটা চালু করে সেটিংস ট্যাবে গেলেই বুঝতে পারবো রুট হয়েছে কি-না।

এই বিষয়ে কোনোকিছু জানার থাকলে এই লিঙ্কে গিয়ে আলোচনা করা যেতে পারে।