<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?>
<rss version="2.0"
	xmlns:content="http://purl.org/rss/1.0/modules/content/"
	xmlns:wfw="http://wellformedweb.org/CommentAPI/"
	xmlns:dc="http://purl.org/dc/elements/1.1/"
	xmlns:atom="http://www.w3.org/2005/Atom"
	xmlns:sy="http://purl.org/rss/1.0/modules/syndication/"
	xmlns:slash="http://purl.org/rss/1.0/modules/slash/"
	>

<channel>
	<title>Reality Bites &#187; বাংলাদেশ</title>
	<atom:link href="http://omi.net.bd/category/on-bangladesh/feed" rel="self" type="application/rss+xml" />
	<link>http://omi.net.bd</link>
	<description>by Omi Azad</description>
	<lastBuildDate>Tue, 17 Aug 2010 15:52:13 +0000</lastBuildDate>
	<language>en</language>
	<sy:updatePeriod>hourly</sy:updatePeriod>
	<sy:updateFrequency>1</sy:updateFrequency>
	<generator>http://wordpress.org/?v=3.0.1</generator>
		<item>
		<title>এখন থেকে আর ঘন্টায় ঘন্টায় কারেন্ট যাবেনা!</title>
		<link>http://omi.net.bd/590</link>
		<comments>http://omi.net.bd/590#comments</comments>
		<pubDate>Mon, 29 Mar 2010 13:55:02 +0000</pubDate>
		<dc:creator>Omi Azad</dc:creator>
				<category><![CDATA[বাংলাদেশ]]></category>
		<category><![CDATA[মন্তব্য]]></category>
		<category><![CDATA[কারেন্ট]]></category>
		<category><![CDATA[ঢাকা]]></category>
		<category><![CDATA[বিদ্যুৎ]]></category>
		<category><![CDATA[Bangladesh]]></category>
		<category><![CDATA[Dhaka]]></category>
		<category><![CDATA[Electricity]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://omi.net.bd/?p=590</guid>
		<description><![CDATA[অনেকদিন আগে &#8220;বাংলাদেশের উন্নতি&#8221; নামের একটি আর্টিক্যাল লিখেছিলাম। আজকে আবার একই বিষয় নিয়ে লিখছি। অনেকে হয়তো মনে করবে একই বিষয় নিয়ে দু&#8217;বার লেখার দরকার কি। আমি এজন্যই লিখছি যাতে প্রমাণ সহ বলতে পারি আমরা কুকুরের ল্যাজের মতো একটি জাতি, আর কুকুরের ল্যাজ যেমন ঘি দিয়ে মালিশ করলেও সোজা হয়না!সেরকম যত যাই হোক আমাদের চরিত্রও কখনো [...]]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p><img class="alignleft" title="দিনের বেলা রাস্তার লাইটের আলোতে বাচ্চারা খেলছে!" src="http://farm3.static.flickr.com/2757/4473342218_e9e36d7f5b_o.jpg" alt="" width="232" height="307" />অনেকদিন আগে <a href="http://omi.net.bd/158" target="_blank">&#8220;বাংলাদেশের উন্নতি&#8221;</a> নামের একটি আর্টিক্যাল লিখেছিলাম। আজকে আবার একই বিষয় নিয়ে লিখছি। অনেকে হয়তো মনে করবে একই বিষয় নিয়ে দু&#8217;বার লেখার দরকার কি। আমি এজন্যই লিখছি যাতে প্রমাণ সহ বলতে পারি আমরা কুকুরের ল্যাজের মতো একটি জাতি, আর কুকুরের ল্যাজ যেমন ঘি দিয়ে মালিশ করলেও সোজা হয়না!সেরকম যত যাই হোক আমাদের চরিত্রও কখনো ঠিক হবে না।</p>
<p>গত কয়েকদিন থেকে যারা এয়ারপোর্ট রোডে যাতায়াত করছেন দুপুরের পরে, নিশ্চয়ই লক্ষ্য করে থাকবেন যে সারা রাস্তার বাতিগুলি জ্বালিয়ে রাখা হচ্ছে। অনেকসময় বাতি ঠিক করার জন্য জ্বালানো হয়, কিন্তু আমার চোখে সেরকম কিছু পড়েনি।</p>
<p>কয়েকদিন ধরে বিশ্বরোডের এই দৃশ্য তো দেখছি, আজকে আমার এলাকায় আসতেই দেখি এলাকার লাইটগুলিও জ্বালিয়ে রাখা হয়েছে। ভাবটা এরকম মনে হলো যে রাজপথের বাতিগুলির সাথে এই বাতিগুলি পাল্লা দিচ্ছে।</p>
<p><a href="http://farm5.static.flickr.com/4028/4473341902_8ed08829df_o.jpg" target="_blank"><img class="aligncenter" title="বড় ছবি দেখতে ক্লিক্ করতে হবে..." src="http://farm5.static.flickr.com/4058/4473342094_2668cef8f5_o.jpg" alt="" width="461" height="242" /></a></p>
<p>ছবির আলো দেখেই বুঝতে পারছেন তখন কত বেলা! যতদূর চোখ গেলো, সব বাতি জ্বলছে রাস্তার। কিছুদিন আগে সরকারী একজন পেপারে বলেছিলেন, এখন থেকে আর আমরা বলতে পারবোনা যে ঘন্টায় ঘন্টায় কারেন্ট যায়, কারণ এখন থেকে দুই ঘন্টা করে কারেন্ট বন্ধ থাকবে। উনাকে আমার জিজ্ঞেস করতে ইচ্ছে হচ্ছে, দুই ঘন্টা কারেন্ট বন্ধ রেখে কি দিনের বেলা রাস্তার বাতি জ্বালিয়ে রাখা হবে?</p>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://omi.net.bd/590/feed</wfw:commentRss>
		<slash:comments>2</slash:comments>
		</item>
		<item>
		<title>বাংলালায়নের কপাল!</title>
		<link>http://omi.net.bd/568</link>
		<comments>http://omi.net.bd/568#comments</comments>
		<pubDate>Wed, 20 Jan 2010 11:52:21 +0000</pubDate>
		<dc:creator>Omi Azad</dc:creator>
				<category><![CDATA[আইটি বিশ্ব]]></category>
		<category><![CDATA[ওয়াইম্যাক্স]]></category>
		<category><![CDATA[বাংলাদেশ]]></category>
		<category><![CDATA[মন্তব্য]]></category>
		<category><![CDATA[বংলালায়ন]]></category>
		<category><![CDATA[Banglalion]]></category>
		<category><![CDATA[Wimax]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://omi.net.bd/?p=568</guid>
		<description><![CDATA[বানিজ্য মেলাতে অনেক পায়তাড়া করছে বাংলালায়ন প্যাভেলিয়ানের মেয়েগুলি। শুধু হাসি আর চেহারা ছাড়া আর কিছু নাই, ফার্মের মুরগীর মতন। এবার আমি আর কিছু জিজ্ঞেস করলাম না, শুধু দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে তামশা দেখছি। একজন গত কয়েকদিন আগে লাইন নিয়েছে, অসম্ভব বিরক্ত, মোহাম্মদপুর বা শ্যামলী এলাকায় ব্যবহার করেন, কিন্তু সেবার বেহাল অবস্থা দেথে আবার মেলায় এসেছেন এই বিষয়ে [...]]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p><img class="alignleft" title="BanglaLion" src="http://farm3.static.flickr.com/2736/4101291024_581356d2e8_o.jpg" alt="" width="64" height="91" />বানিজ্য মেলাতে অনেক পায়তাড়া করছে বাংলালায়ন প্যাভেলিয়ানের মেয়েগুলি। শুধু হাসি আর চেহারা ছাড়া আর কিছু নাই, ফার্মের মুরগীর মতন। এবার আমি আর কিছু জিজ্ঞেস করলাম না, শুধু দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে তামশা দেখছি। একজন গত কয়েকদিন আগে লাইন নিয়েছে, অসম্ভব বিরক্ত, মোহাম্মদপুর বা শ্যামলী এলাকায় ব্যবহার করেন, কিন্তু সেবার বেহাল অবস্থা দেথে আবার মেলায় এসেছেন এই বিষয়ে কথা বলতে। উনার কথা বার্তা থেকে জানলাম যে বাংলালায়নের কাস্টমার কেয়ার বলতে গেলে নেই, কতগুলা নাম্বার দেয়া আছে ইচ্ছা হলে ধরে না হলে ধরেনা। তবে যেই মেয়েটার সাথে কথা বলছিলো, সেই মেয়েটা আবার কিছু জানে বলে মনে হলোনা, পাশ থেকে মেয়েটার বন্ধু এসে বললো বিগত কিছুদিন থেকে ওয়েদার খারাপ থাকার জন্য গতি ওঠা নামা করছে। আমি হাসবো না কাঁদবো বুঝতে পারলাম না। শুধু বললাম ঠান্ডায় লায়ন বেড়াল হয়ে গ্যাছে, তাই স্পিড ওঠা নামা করছে। <img src='http://omi.net.bd/wp-includes/images/smilies/icon_smile.gif' alt=':)' class='wp-smiley' /> </p>
<p>আমার কথা শুনে মেয়েটা ক্ষেপে গেলো, তাড়াহুড়ো করে একটা ব্রশিওর নিয়ে এসে দেখিয়ে একদম ঝগড়া করার মত করে বলতে লাগলো, &#8220;এই দেখেন, এতো কম সময়ে এতো কাভারেজ দিয়েছে এটাই অনেক বেশী না! আমাদের জন্য তো এটা ভাগ্যের ব্যাপার!&#8221;</p>
<p>আমি সত্যই অবাক হলাম। বাংলালায়নের সংযোগ যারা নিচ্ছে তাদের কি কপাল খুলছে না পুড়েছে!</p>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://omi.net.bd/568/feed</wfw:commentRss>
		<slash:comments>25</slash:comments>
		</item>
		<item>
		<title>বাংলালায়নে ফোনে একদিন</title>
		<link>http://omi.net.bd/554</link>
		<comments>http://omi.net.bd/554#comments</comments>
		<pubDate>Thu, 31 Dec 2009 16:58:09 +0000</pubDate>
		<dc:creator>Omi Azad</dc:creator>
				<category><![CDATA[আইটি বিশ্ব]]></category>
		<category><![CDATA[ওয়াইম্যাক্স]]></category>
		<category><![CDATA[টেলিকম]]></category>
		<category><![CDATA[বাংলাদেশ]]></category>
		<category><![CDATA[মন্তব্য]]></category>
		<category><![CDATA[ইন্টারনেট]]></category>
		<category><![CDATA[ওয়াইম্যাক্স]]></category>
		<category><![CDATA[বাংলালায়ন]]></category>
		<category><![CDATA[সেবা]]></category>
		<category><![CDATA[Banglalion]]></category>
		<category><![CDATA[Internet]]></category>
		<category><![CDATA[Service]]></category>
		<category><![CDATA[Wimax]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://omi.net.bd/?p=554</guid>
		<description><![CDATA[গতকালকে প্রথম আলোতে বিশাল বিজ্ঞাপণ দিয়েছে বাংলালায়ন। আমি কিউবি ব্যবহার করছি, কিন্তু চিন্তা করলাম দেখি এদের কি অবস্থা। ফোন দিলাম ওদের নম্বরে (হট্‌লাইনে), এক মহিলা ধরলেন গলার স্বর সেক্সি না। কেনাকাটার ব্যপারে কোথাও ফোন করে যদি সেক্সি স্বরের মেয়ের সাথে কথা না হয় ভালো লাগেনা। এখানে একটা পরামর্শ দিয়ে রাখতে চাই, কেউ যদি ভালো ব্যবসা [...]]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p><img class="alignleft" title="BanglaLion" src="http://farm3.static.flickr.com/2736/4101291024_581356d2e8_o.jpg" alt="" width="64" height="91" />গতকালকে প্রথম আলোতে বিশাল বিজ্ঞাপণ দিয়েছে বাংলালায়ন। আমি <a href="http://www.qubee.com.bd/" target="_blank">কিউবি</a> ব্যবহার করছি, কিন্তু চিন্তা করলাম দেখি এদের কি অবস্থা। ফোন দিলাম ওদের নম্বরে (হট্‌লাইনে), এক মহিলা ধরলেন গলার স্বর সেক্সি না। কেনাকাটার ব্যপারে কোথাও ফোন করে যদি সেক্সি স্বরের মেয়ের সাথে কথা না হয় ভালো লাগেনা। এখানে একটা পরামর্শ দিয়ে রাখতে চাই, কেউ যদি ভালো ব্যবসা করতে চান, তাহলে টেলিফোন অপারেটরের কন্ঠ অবশ্যই সেক্সি দেখে নিয়োগ দেবেন এবং শো-রুমেও সেক্সি মেয়েদের (চিকন, খানিকটা লম্বা এবং ফর্সা হলেই চলে আমাদের দেশে) নিয়োগ দেবেন; ব্যবসা ভালো হবে। যাই হোক, আলাপ আলোচনা কি হলো সেটা বলি-</p>
<ul>
<li>অপারেটর: হ্যালো!
<ul>
<li>যখন আমি কিছু কেনার উদ্দেশ্যে ফোন দিয়েছি আমি আশা করছিলাম আমাকে গুড মর্নিং বা আসসালামুআলাইকুম জাতীয় কিছু বলবে, শুধু হ্যালো আমি আশা করি নাই।</li>
</ul>
</li>
<li>আমি: আচ্ছা আপনাদের সেলস্ বা মার্কেটিং ডিপার্টমেন্টের সাথে কথা বলতে পারি?</li>
<li>কোথা থেকে বলছেন?
<ul>
<li>সাথে প্লিজ বললে ভালো করতেন, কিন্তু বলেন নাই।</li>
</ul>
</li>
<li>অমি আজাদ বলছি, মাইক্রোসফট থেকে।
<ul>
<li>ভাবলাম আমার প্রতিষ্ঠানের নাম ব্যবহার করলে একটু বেশী গুরুত্ব পাবো, কিন্তু পরবর্তী আলোচনায় সেরকম কোনো লক্ষণ দেখলাম না।</li>
</ul>
</li>
<li>আপনি আমাকেই বলতে পারেন, আমি প্রয়োজন মনে করলে ফরোয়ার্ড করবো টিমের কাছে।</li>
<li>আচ্ছা আপনারা যে পত্রিকায় বিজ্ঞাপণ দিয়েছেন, আপনারা কি কার্যক্রম শুরু করেছেন?</li>
<li>জ্বী।</li>
<li>আপনারা কি উত্তরাতে লাইন দিচ্ছেন বা গুলশানে?</li>
<li>দিচ্ছি কিন্তু সবখানে ঠিকমতন লাইন পৌছেনি, আমাদের কাজ চলছে, আপনি আমাদের ওয়েব সাইটে গিয়ে দেখতে পারেন আপনার এলাকা আমাদের আওতায় আছে কি-না।</li>
<li>আপু, আমার তো এখন ইন্টারনেট সংযোগ নেই, আপনি যদি একটু দেখে বলতেন।
<ul>
<li>মিথ্যা বলার জন্য দুঃখিত, আমার টার্গেট ছিলো ওদেরকে যাচাই করা, তাই বলতে হয়েছে।</li>
</ul>
</li>
<li>আপনাকে আমাদের সাইটে গিয়েই দেখতে হবে, এটাই সিস্টেম করেছি আমরা।</li>
<li>আমার যে এখন ইন্টারনেটের লাইন নাই!</li>
<li>আপনি অফিস বা সাইবার ক্যাফে থেকে বাংলালায়নওয়াইম্যাক্স ডট কম সাইটে গিয়ে দেখতে হবে।
<ul>
<li>এখানে আমি লক্ষ্য করলাম মেয়েটা প্লিজ বললো না, প্লিজ বললেই কিন্তু ল্যাটা চুকে যায়!</li>
</ul>
</li>
<li>আচ্ছা, আপনারা কি কি মডেম দিচ্ছেন আর কিভাবে সংযোগ নিবো?</li>
<li>আমরা তিন রকমের মডেম দিচ্ছি, ডিপেন্ড করে আপনার অবস্থান এবং আমাদের কাভারেজের উপরে। ইউএসবি ৩৫০০ টাকা, ইনডোর মডেম ৪০০০ এবং আউটডোর মডেম ১০০০ টাকা দাম।</li>
<li>আচ্ছা ইনডোর আর আউটডোর মডেমে কি রাউটার বিল্ট-ইন?</li>
<li>এটা ঠিক বলতে পারবো না।</li>
<li>না মানে কিউবি যেই সিমেন্স গিগাসেটের মডেমটা দিচ্ছে সেটা রাউটার হিসেবে কাজ করে, আপনি ওখান থেকে লাইন নিয়ে একটা সুইচ বা হাবে লাগিয়ে অনেকগুলি মেশিনে একসাথে চালাতে পারবেন। আপনাদের কি সেরকম সুবিধা আছে?</li>
<li>আমি ঠিক বলতে পারছি না।</li>
<li>আপনি কি এরকম কাউকে দেবেন যে বলতে পারবে?</li>
<li>এটা আপনি সচাইতে ভালো জানতে পারবেন আমাদের যে প্রমোশনাল এক্সপিরিয়েন্স কার আছে সেখানে জিজ্ঞেস করলে।
<ul>
<li><em>এক্সপিরিয়েন্স কার</em> কথাটা হুবহু নাও মিলতে পারে, কি নাম বলেছিলো হুবহু মনে পড়ছেনা।</li>
</ul>
</li>
<li>সেটা আবার কি?</li>
<li>বিভিন্ন এলাকায় আমরা আমাদের প্রমোশনাল এক্সপিরিয়েন্স কার পাঠাচ্ছি, একটা মাইক্রোবাসের মধ্যে আমাদের ডিভাইস, কম্পিউটার ইত্যাদি দিয়ে। আপনি সেখানে আমাদের সেবা ব্যবহার করে দেখতে পারেন এবং ওখানে অনেক তথ্য দেয়া আছে, আশাকরি ওরা আপনার প্রশ্নের জবাব দিতে পারবে।</li>
<li>আচ্ছা, আমি লাইন নিতে কোথায় যাবো?</li>
<li>আপনার রেজিস্ট্রেশন নম্বরটা কত?</li>
<li>কোন রেজিস্ট্রেশন নম্বর জানতে চাইছেন?</li>
<li>আপনি কি অনলাইনে আমাদের ওয়েব সাইটে রেজিস্ট্রেশন করেছিলেন?</li>
<li>করেছিলাম বছরখানেক আগে, নম্বরটাতো লিখে রাখিনি।</li>
<li>যাই হোক সমস্যা নাই, আপনি যেই এলাকা থেকে রেজিস্ট্রেশন করেছেন, সেই এলাকা ধরে আমরা লটারি করবো। লটারিতে যাদের নাম উঠবে আমরা তাদের ফোন করে জানাবো তাদের এলাকায় বা কাছাকাছি কোখায় কবে আমাদের এক্সপিরিয়েন্স কার থাকবে, তারা সেখানে গিয়ে লাইন নিতে পারবেন।
<ul>
<li>এমন মনে হলো বাংলালায়ন লটারি করে নির্বাচন করবে কোন কোন দরিদ্র/দুস্থ ইন্টারনেট ব্যবহারকারী(দের)কে লাইন দেয়া যায়। দয়া করে তাদেরকে লাইন দেবে এবং সেই দয়া পেয়ে দরিদ্র/দুস্থ ইন্টারনেট ব্যবহারকারীদের জীবনধারা পাল্টে যাবে।</li>
</ul>
</li>
<li>আচ্ছা।</li>
<li>আর কি কিছু জানতে চান?</li>
<li>না ঠিক আছে, আমার এলাকায় লাইন আসলেতো আমি জানতেই পারছি। ঠিক আছে, আপনাকে ধণ্যবাদ।
<ul>
<li>কিছু বোঝার আগেই খটাস্ করে ফোন রেখে দিলেন ভদ্রমহিলা!</li>
</ul>
</li>
</ul>
<p>আমার মনেহয় এদের অনেক কাঠ খড়ি পুড়াতে হবে সেবা দিতে, তথ্য দিতে এবং ব্যবহার ঠিক করতে। এখন কিন্তু একটা রিক্সাওয়ালাও ব্যবহার বোঝে এবং ভালো ব্যবহার আশা করে। &#8220;এই ব্যাটা যাবি&#8221; বললে রিক্সাওয়ালা নিয়ে যেতে চায়না যদি খুব বাঁটে না পড়ে। আর আমি কি মনে করে এদের সেবা নিবো! যারা ফোনেই ঠিক করে কথা বলেনা।</p>
<p>সবচাইতে খারাপ জিনিসটা হলো এদের সাইটের স্পিড মিটার, যা কিনা আপানার ইন্টারনেট সেবার গতি পরীক্ষা করে বলবে আপনার বর্তমান সংযোগের গতি কত। চালাকি করে সেটার মাপের ধরণ কমিয়ে রাখা হয়েছে, যাতে আপনর ইন্টারনেট সংযোগের গতি আপনি কম দেখেন। বিশ্বাস না করলে পরীক্ষা করে দেখতে পারেন। <img src='http://omi.net.bd/wp-includes/images/smilies/icon_smile.gif' alt=':)' class='wp-smiley' /> </p>
<p style="text-align: center;"><img class="aligncenter" title="বাংলালায়নের চার্জের তালিকা" src="http://farm5.static.flickr.com/4033/4233672453_9cb19940e8_o.jpg" alt="" width="500" /></p>
<p>খেলা তো কেবল জমবে, মার্চে ব্র্যাকনেট কি এক আহামরি মোবাইল প্রযুক্তি নিয়ে আসবে শুনলাম। আমাদের কাজ দেখা আর মজা নেয়া। প্রতিযোগিতা না থাকলে মজা নাই।</p>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://omi.net.bd/554/feed</wfw:commentRss>
		<slash:comments>19</slash:comments>
		</item>
		<item>
		<title>জাগরণের গান &#8211; ৭১টি দেশের গান নিয়ে একটি সংকলন</title>
		<link>http://omi.net.bd/530</link>
		<comments>http://omi.net.bd/530#comments</comments>
		<pubDate>Sat, 19 Dec 2009 06:36:58 +0000</pubDate>
		<dc:creator>Omi Azad</dc:creator>
				<category><![CDATA[গান বাজনা]]></category>
		<category><![CDATA[বাংলা ভাষা]]></category>
		<category><![CDATA[বাংলাদেশ]]></category>
		<category><![CDATA[আন্দোলন]]></category>
		<category><![CDATA[একাত্তুর]]></category>
		<category><![CDATA[গান]]></category>
		<category><![CDATA[জাগরণের]]></category>
		<category><![CDATA[দেশাত্ববোধক]]></category>
		<category><![CDATA[বাংলা]]></category>
		<category><![CDATA[ভাষা]]></category>
		<category><![CDATA[মুক্তিযুদ্ধ]]></category>
		<category><![CDATA[সংকলন]]></category>
		<category><![CDATA[৭১]]></category>
		<category><![CDATA[fight]]></category>
		<category><![CDATA[Freedom]]></category>
		<category><![CDATA[Music]]></category>
		<category><![CDATA[Song]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://omi.net.bd/?p=530</guid>
		<description><![CDATA[অনেকেই জানেননা যে আমার ক্যরিয়ার (টাকা কামাই করার) শুরু করেছিলাম আমার শহরের ক্যাসেটের একটি দোকানে কাজ করে। যখন আমাদের বিশেষ দিনগুলি আসতো, (যেমন ২১ ফেব্রুয়ারি, ২৬ মার্চ, ১৬ ডিসেম্বর) তখন অনেকেই দেশাত্ববোধক গান খোঁজ করতেন এবং কিনতেন। তখন (কিছুদিন আগ পর্যন্ত) একটাই ক্যাসেট বাজারে পাওয়া যেতো। অনেক পুরাতন রেকোর্ডিং, সেটাকে কপি করতে করতে আরও খারাপ [...]]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p><img class="aligncenter" title="জাগরণের গান" src="http://farm3.static.flickr.com/2522/4196765852_b99a24358d_o.jpg" alt="" width="450" height="341" /></p>
<p>অনেকেই জানেননা যে আমার ক্যরিয়ার (টাকা কামাই করার) শুরু করেছিলাম আমার শহরের ক্যাসেটের একটি দোকানে কাজ করে। যখন আমাদের বিশেষ দিনগুলি আসতো, (যেমন ২১ ফেব্রুয়ারি, ২৬ মার্চ, ১৬ ডিসেম্বর) তখন অনেকেই দেশাত্ববোধক গান খোঁজ করতেন এবং কিনতেন। তখন (কিছুদিন আগ পর্যন্ত) একটাই ক্যাসেট বাজারে পাওয়া যেতো। অনেক পুরাতন রেকোর্ডিং, সেটাকে কপি করতে করতে আরও খারাপ অবস্থা। সেগুলি মাইকে বাজানোর জন্য ঠিক আছে, কিন্তু কালেকশন করে রাখার মতন অবস্থায় নাই। বিশ্বাস করতে খারাপ লাগে, কিন্তু আমাদের জাতীয় সঙ্গীতেরই কোনো ভালো রেকোর্ডিং সংগ্রহে ছিলো না।</p>
<p>এই জাগরণের গান এলবামটি বাংলাদেশী সঙ্গীতপ্রেমীদের জন্য সত্যই চরম ভালো একটি উদ্দ্যোগ হয়েছে। লোম দাঁড় করানো এই দেশের গানগুলি এভাবে পেয়ে যে আমি কত খুশি হয়েছি তা বলে বোঝাতে পারবো না। বাংলার জন্য, দেশের জন্য একটি দুটি নয়, ৭১টি গানের সংকলন নিয়ে তৈরী এই এলবামটি।</p>
<p>পরীক্ষামূলক শোনার জন্য মাত্র 96kbps-এ গানগুলি এখানে দিলাম, আমি আশা করবো গানগুলি ভালো লাগলে অবশ্যই ছয় সিডির এই এলবামটি কিনে শুনবেন এবং কোনো অবৈধ উৎস থেকে ডাউনলোড করে শুনবেন না।<br />
&#8230;</p>
<p><span id="more-530"></span></p>
<p>০১ আমার সোনার বংলা</p>
<p>০২ দূর্গম গিরি কান্তা</p>
<p>০৩ মোদের গরব মোদের আশা</p>
<p>০৪ জনতার সংগ্রাম চলবেই</p>
<p>০৫ এই সপ্ত সাগর</p>
<p>০৬ রাষ্ট্র ভাষা আন্দোলন করলিরে</p>
<p>০৭ গেরিলা আমরা গেরিলা</p>
<p>০৮ সোনায় মোড়ানো বাংলা</p>
<p>০৯ মাগো ভাবনা কেনো</p>
<p>১০ রক্তের প্রতিশোধ নিবো আমরা</p>
<p>১১ আয়রে আমার দামাল ছেলে</p>
<p>১২ এক সাগর রক্তের বিনিময়ে</p>
<p>১৩ ধন ধান্য পুস্পে ভরা</p>
<p>১৪ আমি যুগে যুগে আসিয়াছি</p>
<p>১৫ বাংলার মাটি বাংলার জল</p>
<p>১৬ ভয় কি মরণে</p>
<p>১৭ রক্ত শিমুল তপ্ত পলাশ</p>
<p>১৮ বাংলার হিন্দু বাংলার বৌদ্ধ</p>
<p>১৯ আমরা করবো জয়</p>
<p>২০ বিপ্লবের রক্ত রাঙ্গা ঝান্ডা উড়ে</p>
<p>২১ ভেবো না গো মা তোমার ছেলেরা</p>
<p>২২ তীর হারা এই ঢেউ এর সাগর</p>
<p>২৩ রক্ত দিয়ে নাম লিখেছি</p>
<p>২৪ এক নদী রক্ত পেরিয়ে</p>
<p>২৫ ও আমার দেশের মাটি</p>
<p>২৬ এই শিকল পরা ছল</p>
<p>২৭ মাগো তোমার সোনা মানিক</p>
<p>২৮ ধিতাং ধিতাং বোলে</p>
<p>২৯ জনতার মুখগুলি</p>
<p>৩০ পতাকা আমার মেয়ের মুখের মত</p>
<p>৩১ ঘুমের দেশে ঘুম ভাঙ্গাতে</p>
<p>৩২ লাঞ্চিত নিপিড়িত জনতার জয়</p>
<p>৩৩ জন্ম আমার ধন্য হলো</p>
<p>৩৪ ওরে বিষম দরিয়ার ঢেউ</p>
<p>৩৫ বিজয় নিশান উড়ছে ঐ</p>
<p>৩৬ দাম দিয়ে কিনেছি বাংলা</p>
<p>৩৭ কারার ঐ লৌহ কপাট</p>
<p>৩৮ নাম তার ছিলো জন হেনরি</p>
<p>৩৯ আজি বাংলাদেশের হৃদয় হতে</p>
<p>৪০ আগুন নিভাইবো কে রে</p>
<p>৪১ নঙ্গর ছাইড়া নাওয়ের</p>
<p>৪২ মাঠে মাঠে সোনালী ধান</p>
<p>৪৩ হিমালয় থেকে সুন্দরবন</p>
<p>৪৪ নঙ্গর তোল তোল সময়</p>
<p>৪৫ সোনা সোনা সোনা লোকে বলে সোনা</p>
<p>৪৬ রক্তে আমার আবার প্রলয় দোলা</p>
<p>৪৭ ও আমার বাংলা মা তোর</p>
<p>৪৮ মুক্তির মন্দির স্বপন তোলে</p>
<p>৪৯ বিচারপ্রতি তোমার বিচার</p>
<p>৫০ ব্যর্থ প্রাণের আবর্জনা</p>
<p>৫১ চাষাদের মুতেদের মজুরের</p>
<p>৫২ ওরে মাঝি নৌকা ছেড়ে দে</p>
<p>৫৩ এই পতাকা শ্রমিকের রক্ত পতাকা</p>
<p>৫৪ ওরা আমার মুখের ভাষা</p>
<p>৫৫ ওরা লম্বা লম্বা কথা বলে</p>
<p>৫৬ ফুল খেলবার নয় অদ্য</p>
<p>৫৭ মোরা একটি ফুলকে বাঁচাবো</p>
<p>৫৮ ডিম পাড়ে হাঁসে খায় বাগ ডাসে</p>
<p>৫৯ একবার যেতে দে না আমার</p>
<p>৬০ আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো</p>
<p>৬১ ও দুনিয়ার মজদুর ভাই সব</p>
<p>৬২ ওরা আমাদের গান গাইতে দেয় না</p>
<p>৬৩ হেই সামালো ধান হো</p>
<p>৬৪ আমার প্রতিবাদের ভাষা</p>
<p>৬৫ লাখো লাখো হাত</p>
<p>৬৬ সালাম সালাম হাজার সালাম</p>
<p>৬৭ আমারা পূর্ব পশ্চিমে</p>
<p>৬৮ জয় বাংলা বাংলার জয়</p>
<p>৬৯ পূর্ব দিগন্তে সূর্য উঠেছে</p>
<p>৭০ শুনো একটি মজিবরের</p>
<p>৭১ সার্থক জন্ম আমার</p>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://omi.net.bd/530/feed</wfw:commentRss>
		<slash:comments>5</slash:comments>
<enclosure url="http://omiazad.net/files/media/71_Jagoroner_Gaan/01.mp3" length="3616809" type="audio/mpeg" />
<enclosure url="http://omiazad.net/files/media/71_Jagoroner_Gaan/02.mp3" length="2742857" type="audio/mpeg" />
<enclosure url="http://omiazad.net/files/media/71_Jagoroner_Gaan/03.mp3" length="4064757" type="audio/mpeg" />
<enclosure url="http://omiazad.net/files/media/71_Jagoroner_Gaan/04.mp3" length="1980813" type="audio/mpeg" />
<enclosure url="http://omiazad.net/files/media/71_Jagoroner_Gaan/05.mp3" length="2564806" type="audio/mpeg" />
<enclosure url="http://omiazad.net/files/media/71_Jagoroner_Gaan/06.mp3" length="3695177" type="audio/mpeg" />
<enclosure url="http://omiazad.net/files/media/71_Jagoroner_Gaan/07.mp3" length="2712450" type="audio/mpeg" />
<enclosure url="http://omiazad.net/files/media/71_Jagoroner_Gaan/08.mp3" length="2211840" type="audio/mpeg" />
<enclosure url="http://omiazad.net/files/media/71_Jagoroner_Gaan/09.mp3" length="2713704" type="audio/mpeg" />
<enclosure url="http://omiazad.net/files/media/71_Jagoroner_Gaan/10.mp3" length="2438791" type="audio/mpeg" />
<enclosure url="http://omiazad.net/files/media/71_Jagoroner_Gaan/11.mp3" length="3147232" type="audio/mpeg" />
<enclosure url="http://omiazad.net/files/media/71_Jagoroner_Gaan/12.mp3" length="3166040" type="audio/mpeg" />
<enclosure url="http://omiazad.net/files/media/71_Jagoroner_Gaan/13.mp3" length="3885198" type="audio/mpeg" />
<enclosure url="http://omiazad.net/files/media/71_Jagoroner_Gaan/14.mp3" length="2664548" type="audio/mpeg" />
<enclosure url="http://omiazad.net/files/media/71_Jagoroner_Gaan/15.mp3" length="2832881" type="audio/mpeg" />
<enclosure url="http://omiazad.net/files/media/71_Jagoroner_Gaan/16.mp3" length="1856738" type="audio/mpeg" />
<enclosure url="http://omiazad.net/files/media/71_Jagoroner_Gaan/17.mp3" length="2664862" type="audio/mpeg" />
<enclosure url="http://omiazad.net/files/media/71_Jagoroner_Gaan/18.mp3" length="2913757" type="audio/mpeg" />
<enclosure url="http://omiazad.net/files/media/71_Jagoroner_Gaan/19.mp3" length="4012780" type="audio/mpeg" />
<enclosure url="http://omiazad.net/files/media/71_Jagoroner_Gaan/20.mp3" length="3237884" type="audio/mpeg" />
<enclosure url="http://omiazad.net/files/media/71_Jagoroner_Gaan/21.mp3" length="2792444" type="audio/mpeg" />
<enclosure url="http://omiazad.net/files/media/71_Jagoroner_Gaan/22.mp3" length="2824104" type="audio/mpeg" />
<enclosure url="http://omiazad.net/files/media/71_Jagoroner_Gaan/23.mp3" length="2630380" type="audio/mpeg" />
<enclosure url="http://omiazad.net/files/media/71_Jagoroner_Gaan/24.mp3" length="3226285" type="audio/mpeg" />
<enclosure url="http://omiazad.net/files/media/71_Jagoroner_Gaan/25.mp3" length="3732539" type="audio/mpeg" />
<enclosure url="http://omiazad.net/files/media/71_Jagoroner_Gaan/26.mp3" length="2019742" type="audio/mpeg" />
<enclosure url="http://omiazad.net/files/media/71_Jagoroner_Gaan/27.mp3" length="2449822" type="audio/mpeg" />
<enclosure url="http://omiazad.net/files/media/71_Jagoroner_Gaan/28.mp3" length="2120365" type="audio/mpeg" />
<enclosure url="http://omiazad.net/files/media/71_Jagoroner_Gaan/29.mp3" length="2571448" type="audio/mpeg" />
<enclosure url="http://omiazad.net/files/media/71_Jagoroner_Gaan/30.mp3" length="2820343" type="audio/mpeg" />
<enclosure url="http://omiazad.net/files/media/71_Jagoroner_Gaan/31.mp3" length="3076447" type="audio/mpeg" />
<enclosure url="http://omiazad.net/files/media/71_Jagoroner_Gaan/32.mp3" length="2220049" type="audio/mpeg" />
<enclosure url="http://omiazad.net/files/media/71_Jagoroner_Gaan/33.mp3" length="4929051" type="audio/mpeg" />
<enclosure url="http://omiazad.net/files/media/71_Jagoroner_Gaan/34.mp3" length="3570475" type="audio/mpeg" />
<enclosure url="http://omiazad.net/files/media/71_Jagoroner_Gaan/35.mp3" length="2391203" type="audio/mpeg" />
<enclosure url="http://omiazad.net/files/media/71_Jagoroner_Gaan/36.mp3" length="5748460" type="audio/mpeg" />
<enclosure url="http://omiazad.net/files/media/71_Jagoroner_Gaan/37.mp3" length="1893414" type="audio/mpeg" />
<enclosure url="http://omiazad.net/files/media/71_Jagoroner_Gaan/38.mp3" length="4229074" type="audio/mpeg" />
<enclosure url="http://omiazad.net/files/media/71_Jagoroner_Gaan/39.mp3" length="1983693" type="audio/mpeg" />
<enclosure url="http://omiazad.net/files/media/71_Jagoroner_Gaan/40.mp3" length="2225378" type="audio/mpeg" />
<enclosure url="http://omiazad.net/files/media/71_Jagoroner_Gaan/41.mp3" length="3215941" type="audio/mpeg" />
<enclosure url="http://omiazad.net/files/media/71_Jagoroner_Gaan/42.mp3" length="4761032" type="audio/mpeg" />
<enclosure url="http://omiazad.net/files/media/71_Jagoroner_Gaan/43.mp3" length="1999366" type="audio/mpeg" />
<enclosure url="http://omiazad.net/files/media/71_Jagoroner_Gaan/44.mp3" length="2529443" type="audio/mpeg" />
<enclosure url="http://omiazad.net/files/media/71_Jagoroner_Gaan/45.mp3" length="2447314" type="audio/mpeg" />
<enclosure url="http://omiazad.net/files/media/71_Jagoroner_Gaan/46.mp3" length="2447628" type="audio/mpeg" />
<enclosure url="http://omiazad.net/files/media/71_Jagoroner_Gaan/47.mp3" length="2863601" type="audio/mpeg" />
<enclosure url="http://omiazad.net/files/media/71_Jagoroner_Gaan/48.mp3" length="2230707" type="audio/mpeg" />
<enclosure url="http://omiazad.net/files/media/71_Jagoroner_Gaan/49.mp3" length="2820343" type="audio/mpeg" />
<enclosure url="http://omiazad.net/files/media/71_Jagoroner_Gaan/50.mp3" length="2293401" type="audio/mpeg" />
<enclosure url="http://omiazad.net/files/media/71_Jagoroner_Gaan/51.mp3" length="2197479" type="audio/mpeg" />
<enclosure url="http://omiazad.net/files/media/71_Jagoroner_Gaan/52.mp3" length="2102184" type="audio/mpeg" />
<enclosure url="http://omiazad.net/files/media/71_Jagoroner_Gaan/53.mp3" length="2473332" type="audio/mpeg" />
<enclosure url="http://omiazad.net/files/media/71_Jagoroner_Gaan/54.mp3" length="5091742" type="audio/mpeg" />
<enclosure url="http://omiazad.net/files/media/71_Jagoroner_Gaan/55.mp3" length="3638184" type="audio/mpeg" />
<enclosure url="http://omiazad.net/files/media/71_Jagoroner_Gaan/56.mp3" length="1739500" type="audio/mpeg" />
<enclosure url="http://omiazad.net/files/media/71_Jagoroner_Gaan/57.mp3" length="2741662" type="audio/mpeg" />
<enclosure url="http://omiazad.net/files/media/71_Jagoroner_Gaan/58.mp3" length="3008738" type="audio/mpeg" />
<enclosure url="http://omiazad.net/files/media/71_Jagoroner_Gaan/59.mp3" length="3258573" type="audio/mpeg" />
<enclosure url="http://omiazad.net/files/media/71_Jagoroner_Gaan/60.mp3" length="3540068" type="audio/mpeg" />
<enclosure url="http://omiazad.net/files/media/71_Jagoroner_Gaan/61.mp3" length="2245753" type="audio/mpeg" />
<enclosure url="http://omiazad.net/files/media/71_Jagoroner_Gaan/62.mp3" length="2505619" type="audio/mpeg" />
<enclosure url="http://omiazad.net/files/media/71_Jagoroner_Gaan/63.mp3" length="2977391" type="audio/mpeg" />
<enclosure url="http://omiazad.net/files/media/71_Jagoroner_Gaan/64.mp3" length="1863007" type="audio/mpeg" />
<enclosure url="http://omiazad.net/files/media/71_Jagoroner_Gaan/65.mp3" length="2101871" type="audio/mpeg" />
<enclosure url="http://omiazad.net/files/media/71_Jagoroner_Gaan/66.mp3" length="3261394" type="audio/mpeg" />
<enclosure url="http://omiazad.net/files/media/71_Jagoroner_Gaan/67.mp3" length="2168013" type="audio/mpeg" />
<enclosure url="http://omiazad.net/files/media/71_Jagoroner_Gaan/68.mp3" length="3464522" type="audio/mpeg" />
<enclosure url="http://omiazad.net/files/media/71_Jagoroner_Gaan/69.mp3" length="2060493" type="audio/mpeg" />
<enclosure url="http://omiazad.net/files/media/71_Jagoroner_Gaan/70.mp3" length="1956421" type="audio/mpeg" />
<enclosure url="http://omiazad.net/files/media/71_Jagoroner_Gaan/71.mp3" length="5555677" type="audio/mpeg" />
		</item>
		<item>
		<title>Brigade 71 &#8211; The Echoes of 71 দারুন একটা এলবাম</title>
		<link>http://omi.net.bd/502</link>
		<comments>http://omi.net.bd/502#comments</comments>
		<pubDate>Wed, 16 Dec 2009 07:47:40 +0000</pubDate>
		<dc:creator>Omi Azad</dc:creator>
				<category><![CDATA[গান বাজনা]]></category>
		<category><![CDATA[বাংলা ভাষা]]></category>
		<category><![CDATA[বাংলাদেশ]]></category>
		<category><![CDATA[71]]></category>
		<category><![CDATA[একাত্তুর]]></category>
		<category><![CDATA[একোস]]></category>
		<category><![CDATA[গান]]></category>
		<category><![CDATA[বাংলা]]></category>
		<category><![CDATA[বিজয়]]></category>
		<category><![CDATA[ব্রিগেড]]></category>
		<category><![CDATA[মহান]]></category>
		<category><![CDATA[রক]]></category>
		<category><![CDATA[৭১]]></category>
		<category><![CDATA[Bangla]]></category>
		<category><![CDATA[Bengali]]></category>
		<category><![CDATA[Brigade]]></category>
		<category><![CDATA[Echoes]]></category>
		<category><![CDATA[Freedom]]></category>
		<category><![CDATA[Music]]></category>
		<category><![CDATA[Rock]]></category>
		<category><![CDATA[Song]]></category>
		<category><![CDATA[The]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://omi.net.bd/?p=502</guid>
		<description><![CDATA[মহান বিজয়ের এই দিনে এর চাইতে বড় আর কি উপহার হতে পারে! বাংলার বিভিন্ন সংগ্রামে বাংলার জন্য যেসব গান হয়েছিলো সেগুলিকে যুগের চাহিদায় নতুন করে তৈরী করেছে ব্রিগেড সেভেন্টিওয়ান নামের একটি ব্যান্ড। শোনার জন্য গানগুলি আমি এখানে দিচ্ছি ১ &#8211; তীর হারা এই ঢেউয়ের সাগর- ২ &#8211; আবার যুদ্ধ ৩ &#8211; সাদা কালো ৪ &#8211; [...]]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p><img class="aligncenter" title="Cover" src="http://farm3.static.flickr.com/2803/4187867396_b63a4a2f86_o.jpg" width="300" height="299" /></p>
<p>মহান বিজয়ের এই দিনে এর চাইতে বড় আর কি উপহার হতে পারে! বাংলার বিভিন্ন সংগ্রামে বাংলার জন্য যেসব গান হয়েছিলো সেগুলিকে যুগের চাহিদায় নতুন করে তৈরী করেছে ব্রিগেড সেভেন্টিওয়ান নামের একটি ব্যান্ড। শোনার জন্য গানগুলি আমি এখানে দিচ্ছি</p>
<p>১ &#8211; তীর হারা এই ঢেউয়ের সাগর-</p>
<p>২ &#8211; আবার যুদ্ধ</p>
<p>৩ &#8211; সাদা কালো</p>
<p>৪ &#8211; নোঙ্গর তোল</p>
<p>৫ &#8211; রক্ত দিয়ে নাম লিখেছি</p>
<p>৬ &#8211; সোনায় মোড়ানো বাংলা</p>
<p>৭ &#8211; একটি ফুলকে বাঁচাবো বলে</p>
<p>৮ &#8211; দূর্গম গিরি</p>
<p>৯ &#8211; পূর্ব দিগন্তে</p>
<p>পাঠকদের কাছে অনুরোধ থাকলো গানগুলি ডাউনলোড করে শুনবেননা। একটি সিডির দাম মাত্র ৬০ টাকা, অনুগ্রহ করে কিনে গান শোনার অভ্যাস করুন।</p>
<p><img class="aligncenter" src="http://farm3.static.flickr.com/2498/4187105409_5275f98f69_o.jpg" /></p>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://omi.net.bd/502/feed</wfw:commentRss>
		<slash:comments>8</slash:comments>
<enclosure url="http://omiazad.net/files/media/Echos/09.mp3" length="3128976" type="audio/mpeg" />
<enclosure url="http://omiazad.net/files/media/Echos/08.mp3" length="4091904" type="audio/mpeg" />
<enclosure url="http://omiazad.net/files/media/Echos/07.mp3" length="3978288" type="audio/mpeg" />
<enclosure url="http://omiazad.net/files/media/Echos/05.mp3" length="4176576" type="audio/mpeg" />
<enclosure url="http://omiazad.net/files/media/Echos/04.mp3" length="3963168" type="audio/mpeg" />
<enclosure url="http://omiazad.net/files/media/Echos/03.mp3" length="4002480" type="audio/mpeg" />
<enclosure url="http://omiazad.net/files/media/Echos/01.mp3" length="3627504" type="audio/mpeg" />
<enclosure url="http://omiazad.net/files/media/Echos/06.mp3" length="3021408" type="audio/mpeg" />
<enclosure url="http://omiazad.net/files/media/Echos/02.mp3" length="2737152" type="audio/mpeg" />
		</item>
		<item>
		<title>ওয়াইম্যাক্স &#8211; আশায় গুড়েবালি!</title>
		<link>http://omi.net.bd/491</link>
		<comments>http://omi.net.bd/491#comments</comments>
		<pubDate>Fri, 13 Nov 2009 19:08:16 +0000</pubDate>
		<dc:creator>Omi Azad</dc:creator>
				<category><![CDATA[আইটি বিশ্ব]]></category>
		<category><![CDATA[ওয়াইম্যাক্স]]></category>
		<category><![CDATA[টেলিকম]]></category>
		<category><![CDATA[বাংলাদেশ]]></category>
		<category><![CDATA[মন্তব্য]]></category>
		<category><![CDATA[মোবাইল অপারেটর]]></category>
		<category><![CDATA[ইন্টারনেট]]></category>
		<category><![CDATA[ওয়াইম্যাক্স]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://omi.net.bd/?p=491</guid>
		<description><![CDATA[অনেক হৈ চৈ পড়েছিলো দেশে যে ওয়াইম্যাক্স প্রযুক্তি আসছে! আগা মাথা না বুঝেই লাফা লাফি শুরু হলো পাবলিকের (যেটা হয় সবসময়)। সবার ধারণা হলো, গরীব এই দেশে অল্প টাকায় অনেক দ্রুত গতির ইন্টারনেট পাবার এটাই একটা উপায়! কেউ এটা বুঝলো না যে ব্যান্ডউইড্‌থ নামে একটা জিনিস এই সেবার সাখে জড়িত, যা আমাদের দেশে এখনো অনেক [...]]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p><img class="alignleft" title="Wimax" src="http://farm3.static.flickr.com/2563/4101278348_8071a8bf4f_o.jpg" alt="" width="233" height="219" />অনেক হৈ চৈ পড়েছিলো দেশে যে <a href="http://en.wikipedia.org/wiki/WiMAX" target="_blank">ওয়াইম্যাক্স প্রযুক্তি</a> আসছে! আগা মাথা না বুঝেই লাফা লাফি শুরু হলো পাবলিকের (যেটা হয় সবসময়)। সবার ধারণা হলো, গরীব এই দেশে অল্প টাকায় অনেক দ্রুত গতির ইন্টারনেট পাবার এটাই একটা উপায়! কেউ এটা বুঝলো না যে ব্যান্ডউইড্‌থ নামে একটা জিনিস এই সেবার সাখে জড়িত, যা আমাদের দেশে এখনো অনেক মূল্যবান এবং ওয়াইম্যাক্সের মাধ্যমে সেটাই গ্রহণ করতে হবে। তাই সেটার দাম বেশী থাকলে কখনো কম দামে সেবা পাওয়া যাবে না।</p>
<p>ঐ যে বললাম, আগা মাথা কোনো জ্ঞান নাই, আজাইরা লাফা লাফি। আমাদের সরকার আবার প্রায় দুইশত পনেরো কোটি টাকার নিয়ে লাইসেন্স নিলাম করে একে অপরের পিঠ চাপড়ায় নিজেদেরকে বাঘের বাচ্চা মনে করে। এটা একবারও মাথায় আসলোনা যে এই টাকা কোম্পানী ব্যবসা শুরু করে সাধারণ মানুষদের চিপা দিয়ে বের করে নিবে। অনেকে কথাটা বলেছিলো শুরুতে, আমাদের দেশে কে কার কখা শোনে!</p>
<p>শুরুতে তিনটা কোম্পানী লাইসেন্স নিলেও এখন টিকে আছে দু&#8217;টা। <img class="alignright" title="Bangla Lion" src="http://farm3.static.flickr.com/2736/4101291024_581356d2e8_o.jpg" alt="" width="64" height="91" />এই বছর শুরুর দিকে <a href="http://www.banglalion.com.bd/" target="_blank">বাংলা লায়ন</a> <span style="text-decoration: line-through;">(সাইটটিতে ইন্টারনেট এক্সপ্লোরার ৬ দিয়ে যাবেন না, ভাইরাস আছে)</span> অনলাইনে রেজিস্ট্রেশন শুরু করে, কিন্তু অপারেশনে আসার খবর নাই। কয়েকজন এরই মধ্যে বাংলা লায়নের পরীক্ষামূলক সংযোগ পেয়াছে। এদের সেবার মান সত্যই সবার জন্য হতাশা জনক। এই লাইন থাকার চাইতে না থাকা ভালো। ল্যাপটপে ইউএসবি ডঙ্গল লাগিয়ে রাস্তায় চলমান অবস্থায় নেটওয়ার্ক থাকে না যেসব এলাকায় নেটওয়ার্ক আছে। স্থির হয়ে দাঁড়িয়ে থাকলে নেটওয়ার্ক আসে। কি হাস্যকর!</p>
<p>পরে অওগের নামের একটি কোম্পানী <a href="http://www.qubee.com.bd/" target="_blank">কিউবি</a> ব্র্যান্ড নাম নিয়ে ব্যবসা আরম্ভ করে। এরাও ওয়াইম্যাক্স প্রযুক্তি ব্যবহার করছে বলে দাবি করে। একবার যদি আমরা ওয়াইম্যাক্স নিয়ে লেখাপড়া করি তাহলে বুঝতে পারবো এই প্রযুক্তি আসলে কি। ওয়াইম্যাক্স অর্থ হলো, আপনি উচ্চ গতির ইন্টারনেট বা ডেটা ব্যবহার করতে পারবেন চলমান অবস্থায়। কিউবি সেখানে প্রথমবার হতাশ করলো। তাদের বিশাল সাইজের মোডেম নাকি জানালার কাছে রাখতে হবে, নাইলে কাজ করেনা। ইন্টেল যখন <a href="http://en.wikipedia.org/wiki/Ieee" target="_blank">আইইইই</a>-এর একটি কনফারেন্সে ওয়াইম্যাক্স বর্ণনা করছিলো, তখন বলেছিলো, যত বাঁধাই থাকুক, ওয়াইম্যাক্স দেবে লাস্ট মাইল পারফরমেন্স। তাহলে জানালায় কেনো!</p>
<p><img class="alignleft" title="Qubee" src="http://farm3.static.flickr.com/2714/4101291064_af2830eb13_o.jpg" alt="" width="145" height="57" />আবার ট্যারিফ দেখলে মাথা নষ্ট! লাইন নিতেই দিতে হবে সাত হাজার টাকা। পারে মাসে মাসে সস্তা কোনো প্যাকেজ নাই, নাই আনলিমিটেড প্যাকেজ। আসলে ওদেরও তেমন কোনো দোষ নেই। একে তো চড়া দামে লাইসেন্স কিনেছে, তার উপরে এক মেগা ব্যান্ডউইড্‌থের দাম প্রায় একুশ হাজার টাকা। ওরাই বা কি করবে, কতই বা গতি দেবে, কতই বা টাকা কম নেবে। ব্যবসা করে তো চলতে হবে।</p>
<p>আমাদের দেশেই ইন্টারনেটের অবস্থা শোচনীয়। সেদিন আমার এক বন্ধু বললো, &#8220;বাংলাদেশে ইন্টারনেট এখনো বড়লোকদের বিলাসিতা।&#8221; কথাটা মাঝে মাঝে খুবই সত্য মনে হয়। আমি বলছিনা আমাকে ট্রান্সফার লিমিট ছাড়া পাঁচশত টাকায় এক মেগা লাইন দিক। কিন্তু সেবার একটা ন্যুনতম মান থাকা দরকার। আজকে কিন্তু আমরা যে কেবল টিভি দেখি, সেটারও একটা মান আছে, একটা নীতিমালা আছে। কিন্তু হতাশার বিষয় হলো ইন্টারনেটের ন্যুনতম কোনো নীতিমালা নেই। যে যেমন চাইছে তেমন লাইন দিচ্ছে, অনেক টাকা দিয়ে সংযোগ নিলেও সেবা পাওয়া যায় না, ঝামেলার শেষ নাই। সরকার দাম নির্ধারণ করে দিলেও কেউ মানে, কেউ মানে না।</p>
<p>আইটি লাইনের সবাই অনেক আগ্রহের সাথে অপেক্ষা করছে যে এটার একটা সমাধান আসবে, আমরাও একসময় আলো&#8217;র মুখ দেখবো।</p>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://omi.net.bd/491/feed</wfw:commentRss>
		<slash:comments>26</slash:comments>
		</item>
		<item>
		<title>সম্ভাবনাময় কলসেন্টার শিল্প সংকটে</title>
		<link>http://omi.net.bd/454</link>
		<comments>http://omi.net.bd/454#comments</comments>
		<pubDate>Tue, 08 Sep 2009 16:57:20 +0000</pubDate>
		<dc:creator>Omi Azad</dc:creator>
				<category><![CDATA[আইটি বিশ্ব]]></category>
		<category><![CDATA[বাংলাদেশ]]></category>
		<category><![CDATA[কল]]></category>
		<category><![CDATA[বিটিআরসি]]></category>
		<category><![CDATA[সেন্টার]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://omi.net.bd/?p=454</guid>
		<description><![CDATA[দ্রুত পরিবর্তনশীল তথ্যপ্রযুক্তি শিল্পে বাংলাদেশের অবস্থান ধীরে ধীরে সুসংহত অবস্থায় উপনীত হলেও অবকাঠামোগত দূর্বলতা এবং যথাযথ প্রযুক্তি নির্ভর জ্ঞানের অভাবে সম্ভাবনাময় কলসেন্টার শিল্পে বাংলাদেশের বর্তমান অবস্থান আশাপ্রদ নয়। ব্যাপক আগ্রহ এবং ঢাকঢোল পিটিয়ে কলসেন্টার শিল্পে বাংলাদেশের প্রবেশ এক বছরেরও বেশি সময় ধরে অতিবাহিত হলেও কলসেন্টার শিল্পে বাংলাদেশের অবস্থান বর্তমানে খুবই স্বল্প পরিসরে। উন্নত বিশ্বের পাশাপাশি [...]]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p><img class="alignleft" title="Agents" src="http://farm4.static.flickr.com/3520/3900242577_cd8f2c437f_o.jpg" alt="" width="360" height="240" />দ্রুত পরিবর্তনশীল তথ্যপ্রযুক্তি শিল্পে বাংলাদেশের অবস্থান ধীরে ধীরে সুসংহত অবস্থায় উপনীত হলেও অবকাঠামোগত দূর্বলতা এবং যথাযথ প্রযুক্তি নির্ভর জ্ঞানের অভাবে সম্ভাবনাময় কলসেন্টার শিল্পে বাংলাদেশের বর্তমান অবস্থান আশাপ্রদ নয়। ব্যাপক আগ্রহ এবং ঢাকঢোল পিটিয়ে কলসেন্টার শিল্পে বাংলাদেশের প্রবেশ এক বছরেরও বেশি সময় ধরে অতিবাহিত হলেও কলসেন্টার শিল্পে বাংলাদেশের অবস্থান বর্তমানে খুবই স্বল্প পরিসরে। উন্নত বিশ্বের পাশাপাশি উন্নয়নশীল বিভিন্ন দেশসমূহে কলসেন্টার শিল্পে যখন নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করতে সক্ষম হয়েছে তখন বাংলাদেশের কলসেন্টার শিল্পে অগ্রগতি আশাব্যঞ্জক নয়। অনেক দেরি হলেও বাংলাদেশ কলসেন্টার শিল্পে প্রবেশ করায় বিশেষজ্ঞরা ধারণা করেছিলেন কলসেন্টার শিল্পে অচিরেই বাংলাদেশের অবস্থান সন্তোষজনক অবস্থায় উপনীত হবে। কিন্তু সত্যিকার অর্থে কলসেন্টার প্রতিষ্ঠা করা বাংলাদেশের বর্তমান প্রেক্ষিতে কতটা কার্যকর এই বিষয়ে এখনও তেমন সুস্পষ্ট ধারণা অর্জন করতে পারেনি আগ্রহী অনেক ব্যক্তি।</p>
<p>এই কলসেন্টার স্থাপনের মাধ্যমে প্রচুর বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করা সম্ভব বলে জোরগলায় বলা হলেও আমাদের দেশের দুর্বল প্রযুক্তিগত অবকাঠামো এই ব্যবসার ক্ষেত্রে কতটুকু সহায়ক এই বিষয়টি নিয়ে চিন্তিত দেশের তথ্যপ্রযুক্তি সংশ্লিষ্ট সকল ব্যক্তি। কেননা গত বছর লাইসেন্স প্রদান করা হলেও তিনটি ক্যাটাগরিতে প্রাপ্ত লাইসেন্সের শর্তানুযায়ী প্রতিটি প্রতিষ্ঠানকে ছয় মাসের মধ্যে কার্যক্রম শুরু করতে শর্ত প্রদান করা হলেও অনেক প্রতিষ্ঠানই পরবর্তী পর্যায়ে সময় বৃদ্ধির আবেদন করেছে। কলসেন্টার লাইসেন্স গ্রহণকারী অনেক প্রতিষ্ঠানেরই কলসেন্টার শিল্পসংশ্লিষ্ট বিশদ জ্ঞান না থাকায় প্রাথমিকভাবেই বিপর্যয়ের সম্মুখীন। সেই সাথে এখন পর্যন্ত বাংলাদেশে ইন্টারনেট ভিত্তিক দুর্বল অবকাঠামো বিষয়টিকে করে তুলেছে জটিল অবস্থায়। কেননা, উচ্চমূল্যের বিনিময়ে এখন পর্যন্ত বাংলাদেশে যে পরিমাণ ইন্টারনেটের গতি নিশ্চিত করা সম্ভব হয় তা নিরবিচ্ছিন্ন নয়। বিশেষ করে বিদেশের ক্লায়েন্ট নির্ভর এই কলসেন্টার শিল্পে নিরবিচ্ছিন্ন ইন্টারনেট সেবা খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয় হিসেবে বিবেচিত হয়ে থাকে। সেই সাথে নিরবিচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহের বিষয়টি বর্তমানে কলসেন্টার স্থাপনের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। কেননা, সার্বক্ষণিক বিদ্যুৎ সরবরাহ ব্যতিত কলসেন্টার বাস্তবায়ন করা সম্ভব নয় বলে জানিয়েছেন কলসেন্টার শিল্প সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গ। জেনারেটর ব্যবহারের মাধ্যমে বিদ্যুৎ সমস্যার সমাধানের উদ্যোগ প্রতিষ্ঠান পর্যায়ে গ্রহণ করা হলেও সাম্প্রতিক সময়ে জ্বালানী তেলের উচ্চমূল্য বিষয়টি করে তুলেছে ব্যয়বহুল।<span id="more-454"></span></p>
<p>সেই সাথে একটি বিষয়ে কলসেন্টার শিল্পের সাথে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গের মনে রাখা উচিত, কলসেন্টার ব্যবসাতে বাংলাদেশের সম্ভাবনা রয়েছে কথাটি কিন্তু সত্যি। কিন্তু তার জন্য শুধু যে লাইসেন্স গ্রহণ করে কলসেন্টার প্রতিষ্ঠা করলেই হবে তা নয়। আউটসোর্সিং-এ নিজেদের অবস্থান কেমন হবে সে সম্পর্কে পূর্বেই সুস্পষ্ট জ্ঞান অর্জন করা প্রয়োজন। কেননা এই শিল্পে যেমন বিপুল পরিমান অর্থ আয় করার সুযোগ রয়েছে তেমনি এই কলসেন্টার ব্যবসা কিন্তু খুবই নাজুক ব্যবসা হিসেবে পরিচিত। সামান্যতম সেবার ত্রুটি বিচ্যুতি এই ব্যবসাতে বিপর্যয় ডেকে আনতে পারে। তাই সচেতনভাবে নিজেদেরকে পূর্ণাঙ্গ প্রস্তুত করে এই ব্যবসাতে বিনিয়োগ করা উচিত। সেই সাথে কলসেন্টার ব্যবসা সম্পর্কে পূর্ণাঙ্গ ধারণা অর্জন করতে হয়।</p>
<p>কিন্তু বাংলাদেশের পরিপ্রেক্ষিতে ঘটেছে উল্টো ঘটনা। আমাদের বাংলাদেশে যে কোন নতুন প্রযুক্তি প্রবেশের সময় বেশ হৈচৈ হয়ে থাকে। পরবর্তী সময়ে দেখা যায় সে বিষয়টি ধীরে ধীরে কোন ভূমিকা রাখতে সক্ষম হয়ে উঠে না। পূর্বে অনেক ক্ষেত্রেই বিষয়টি হয়ে থাকায় অনেকের মধ্যেই সন্দেহের সৃষ্টি হয়েছে তুমুল আলোচিত কলসেন্টার-এর ক্ষেত্রে বিষয়টি কোন অবস্থানে রয়েছে। প্রাথমিক অবস্থায় অনেক ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানই কলসেন্টার বিষয়ে আগ্রহ প্রকাশ করলেও মাত্র ৪শত প্রতিষ্ঠানের কলসেন্টার লাইসেন্স গ্রহণ কলসেন্টার শিল্পে বাংলাদেশের মন্থর সূচনা বলে অনেকেই মনে করছে। তিনটি ক্যাটাগরিতে লাইসেন্স প্রাপ্ত এই প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে কলসেন্টার লাইসেন্স গ্রহণ করেছে ২৯২টি, হোস্টেড কলসেন্টার লাইসেন্স গ্রহণ করেছে ৬৪টি এবং হোস্টেড কলসেন্টার সার্ভিস প্রোভাইডার লাইসেন্স গ্রহণ করেছে ৫১টি প্রতিষ্ঠান।</p>
<p>বাংলাদেশ টেলিকমিউনিকেশন রেগুলেটরি কমিশন (বিটিআরসি) মাত্র পাঁচ হাজার টাকায় কলসেন্টার লাইসেন্স প্রদান করায় যথাযথ প্রযুক্তি জ্ঞান বিহীন বিভিন্ন ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান কলসেন্টার লাইসেন্স গ্রহণ করে। প্রায় ৪শত উদ্যোক্তাকে কলসেন্টার স্থাপনের লাইসেন্স প্রদান করা হলেও বর্তমানে বাংলাদেশে মাত্র ৩০-৩৫টি কলসেন্টার কার্যক্রম শুরু করতে সক্ষম হয়েছে। কিন্তু প্রযুক্তিগত জ্ঞানের অভাব এবং নানাবিধ জটিলতার কারণে ইতোমধ্যে ২৬টি কলসেন্টার লাইসেন্স প্রাপ্ত প্রতিষ্ঠান কলসেন্টার প্রতিষ্ঠা করতে ব্যর্থ হওয়ায় তাদের লাইসেন্স বিটিআরসি’র নিকট ফিরিয়ে দিয়েছে। যার মধ্যে রয়েছে কলসেন্টার লাইসেন্স প্রাপ্ত ১০টি প্রতিষ্ঠান, হোস্টেড কলসেন্টার লাইসেন্স প্রাপ্ত ৮টি প্রতিষ্ঠান এবং হোস্টেড কলসেন্টার সার্ভিস প্রোভাইডার ৮টি প্রতিষ্ঠান। কেননা, যথাযথ প্রযুক্তি জ্ঞান এবং অবকাঠামোগত উন্নয়ন ব্যয়বহুল হওয়ায় কলসেন্টার শিল্পে বাংলাদেশের অবস্থান সন্তোষজনক ভূমিকা রাখতে ব্যর্থ হয়ে চলেছে। এর অন্যতম কারণ হিসেবে বিবেচনা হচ্ছে আমাদের দেশে এখনো দুর্বল অবকাঠামোর বিষয়টিকে। ইন্টারনেটের ব্যবহারের উচ্চমূল্য এবং ঘনঘন সংযোগ বিচ্যুতির ঘটনা কলসেন্টার ব্যবসাতে বিরূপ প্রভাব ফেলে থাকে। কেননা উন্নত বিশ্ব হতে আউটসোর্সিং-এর মাধ্যমে আনিত কাজ সময় মতো শেষ করতে না পারলে কলসেন্টার খাতে কাজের অর্ডারই বাতিল হয়ে যায়। ফলে কলসেন্টার খাতে ব্যবসা পরিচালনা করা দূরূহ হয়ে থাকে।</p>
<p>কলসেন্টার লাইসেন্স প্রদানের সময় বলা হয়েছিল ২০০৯ সালের মধ্যে সারাবিশ্বে কলসেন্টার ব্যবসার পরিমাণ দাঁড়াবে ৬৪০ বিলিয়ন ইউএস ডলার। প্রাথমিক অবস্থায় বাংলাদেশ যদি এর এক শতাংশ বাজার নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নিতে সক্ষম হয় তবে প্রতি বছর বাংলাদেশে শুধু কলসেন্টারের মাধ্যমেই অন্তত ছয় বিলিয়ন ইউএস ডলার আয় করা সম্ভব যা বাংলাদেশী মুদ্রায় ৪০ হাজার কোটি টাকারও বেশি। ফলে বাংলাদেশের বর্তমান রিজার্ভ-এর চেয়ে বেশি পরিমাণ অর্থ প্রতি বছর আয় করা সম্ভব হবে। কিন্তু বর্তমান কলসেন্টার শিল্পে বাংলাদেশের অবস্থান এই সম্ভাবনাকে বাস্তবে রূপ দেওয়ার ক্ষেত্রে অনেক দূরে অবস্থান করছে। বাংলাদেশে কলসেন্টার চালু করা প্রতিষ্ঠান সমূহের মধ্যে স্মার্ট টেকনোলজিস অন্যতম। স্মার্ট টেকনোলজিস-এর জেনারেল ম্যানেজার মোঃ তৈয়ব উল্লাহ বলেন, ‘প্রায় ৮ মাস আগে লাইসেন্স গ্রহণ করার মাধ্যমে আমাদের ২৫ সিটের কলসেন্টার স্থাপন কার্যক্রম শুরু করা হয়। এক মাস আগে চালু করা হয়েছে আমাদের কলসেন্টার। যদিও প্রাথমিক অবস্থায় শুধু দিনের বেলা ১০ জন কলসেন্টার কর্মীর মাধ্যমে আমরা কলসেন্টার সেবা প্রদান করে চলেছি। আমাদের ক্লায়েন্ট মূলত দুবাই ভিত্তিক। আমরা দুবাই’তে বিশ্বখ্যাত প্রযুক্তি পণ্য নির্মাতা টুইনমস এর সকল পণ্য সংশ্লিষ্ট সেবা প্রদান করে চলেছি। এই সেবা প্রদানে আমাদের কলসেন্টারে বর্তমানে রয়েছে ৮জন ইংরেজি মাধ্যম থেকে পাসকৃত ব্যক্তি। প্রাথমিক অবস্থায় ই-ওয়ান সংযোগ না থাকলেও বর্তমানে তা চালু রয়েছে। যদিও আমরা বর্তমানে আইপি দিয়ে কলসেন্টার সেবা পরিচালনা করছি। আমি মনে করি আমাদের পার্শ্ববর্তী দেশ ভারতের কলসেন্টার শিল্পের অনুরূপ বাংলাদেশে কলসেন্টার শিল্পের উজ্জ্বল সম্ভাবনা রয়েছে। যদিও কলসেন্টার প্রতিষ্ঠার অন্যতম প্রতিবন্ধকতা হিসেবে কলসেন্টার সংশ্লিষ্ট কারিগরি দক্ষ লোকবলের অভাব রয়েছে বাংলাদেশে। সেই সাথে বিদ্যুত আসা যাওয়ার সমস্যা, ইংরেজি ভাষাতে দক্ষ কলসেন্টার কর্মীর অভাব এবং বায়ার খুঁজে পাওয়ার জটিলতা এক্ষেত্রে কলসেন্টার কার্যক্রম পরিচালনায় জটিলতা তৈরি করে থাকে। কলসেন্টার পরিচালনায় বাংলাদেশ সফল না ব্যর্থ হবে তা বলার সময় এখনো আসেনি বলে আমি মনে করি।’ একই ধরনের মন্তব্য করেছেন কলসেন্টার চালু করা হাইটেক আইটি সলিউশন’র সিইও এ কে এম ফজলুল হক খোকন। তিনি বলেন, ‘আমরা যুক্তরাষ্ট্রে টেলি মার্কেটিং সাফল্যজনকভাবে করে চলেছি। ২০ আসন বিশিষ্ট্য কলসেন্টার স্থাপনে আমাদের ৩০-৩৫ লাখ টাকা ব্যয় করতে হয়েছে। শুধু মাত্র সফটওয়্যার এবং সার্ভার ক্রয়ের ক্ষেত্রেই ব্যয় হয়েছে ১০ লাখ টাকা। সেই সাথে আইপিএলসি লাইন নিতে প্রয়োজন হয় ৩-৪ লাখ টাকা। ফলে কলসেন্টার স্থাপনের যে ব্যয় তা অনেক লাইসেন্স গ্রহণকারী প্রতিষ্ঠানের পক্ষেই বহন করা সম্ভব না হওয়ায় বাংলাদেশে কলসেন্টার শিল্প গড়ে উঠতে দেরি হচ্ছে। হাইটেক স্যাটেলাইটের প্রেসিডেন্ট যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী প্রকৌশলী মাহফুজুল হক বাংলাদেশে হাইটেক আইটি সলিউশন প্রতিষ্ঠা করেছেন। আমাদের প্রতিষ্ঠান হাইটেক স্যাটেলাইটের যুক্তরাষ্ট্রে ডিশ টিভি এবং ডিরেক্ট টিভির সেবা প্রদানের ব্যবসা পরিচালনার সুবাদে আমরা বাংলাদেশ থেকেই কলসেন্টারের মাধ্যমে এই বিষয়ে সাফল্যের সাথে টেলিমার্কেটিং করে চলেছি। সেই সাথে অস্ট্রেলিয়াতে বিভিন্ন ধরনের টেলিমার্কেটিং সেবা প্রদান করে চলেছি যার মধ্যে রয়েছে বিভিন্ন ধরনের ওয়েব নির্ভর সেবা এবং বাংলাদেশের রিয়েল এস্টেট ব্যবসা সংক্রান্ত। আমাদের কাজের চাহিদার তুলনায় কলসেন্টার পরিচালনার ক্ষেত্রে সবচেয়ে বড় বাধা হিসেবে দক্ষ জনবল এবং বিদ্যুত সমস্যা উল্লেখযোগ্য। বাংলাদেশের পরিপ্রেক্ষিতে উচ্চমূল্যের বেতন প্রদানে আমরা সম্মত হলেও ইংরেজি ভাষাতে দক্ষ কলসেন্টার কর্মী প্রয়োজন অনুযায়ী নিয়োগ প্রদান করা সম্ভব হচ্ছে না। সেই সাথে টেলিমার্কেটিংয়ে মেয়েদের অগ্রাধিকার থাকলেও ইউরোপ আমেরিকার সাথে বাংলাদেশের সময় পার্থক্যের কারণে সাধারণত রাতের শিফটে বাংলাদেশের সামাজিক পরিপ্রেক্ষিতে মেয়েদের কাজের প্রতি অনাগ্রহ রয়েছে।’ বাংলাদেশে কলসেন্টার চালু করা অন্যতম প্রতিষ্ঠান ওয়ান কলের কলসেন্টার সুপারভাইজার মিথিলা তাদের কলসেন্টার সম্পর্কে বলেন, ‘কলসেন্টার শিল্পে দ্রুত উন্নতির জন্য এখাতে গণসচেতনতা বৃদ্ধি, কলসেন্টার লাইসেন্স প্রদানে আরও যুগোপযোগী নীতিমালা প্রণয়ন, বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে কলসেন্টার বিষয়ে শর্ট কোর্স চালু, ইংরেজিতে কথা বলতে দক্ষতা বৃদ্ধি, কলসেন্টার ভিত্তিক বিশেষ জোন গড়ে তোলা এবং কলসেন্টারের জন্য প্রয়োজনীয় সকল বিষয় নিশ্চিত করে একজন উদ্যোক্তার কলসেন্টার চালু করা উচিত।’ যদিও কলসেন্টার শিল্পে প্রবেশের লাইসেন্স গ্রহণকারী অনেক প্রতিষ্ঠানসমূহের রয়েছে বিরূপ প্রতিক্রিয়া। নাম প্রকাশ না করার শর্তে কলসেন্টার লাইসেন্স গ্রহণকারী একটি প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা বলেন, ‘কলসেন্টার স্থাপনের লক্ষ্যে ১০ আসনের কলসেন্টার স্থাপন করার পরেও বায়ার সমস্যা এবং ইংরেজি ভাষাতে দক্ষ জনবলের অভাবের কারণে আমরা কলসেন্টার চালু করলেও বন্ধ করে দিতে বাধ্য হয়েছি অব্যাহত লোকসানের কারণে। কেননা, কার্যকরী কমিউনিকেশন নেটওয়ার্ককে কলসেন্টারের মূল হিসেবে বিবেচনা করা হয়ে থাকে। এক্ষেত্রে দক্ষ কলসেন্টার কর্মীর অভাবে বায়ারদের চাহিদা অনুযায়ী টেলিমার্কেটিং করা অনেক ক্ষেত্রেই সম্ভবপর না হওয়ায় বায়াররা অন্য দেশের কলসেন্টার প্রতিষ্ঠানকে সেই কাজ প্রদান করে থাকে।’</p>
<p>বিশ্বের বিভিন্ন দেশের তুলনায় দেরিতে বাংলাদেশে কলসেন্টার লাইসেন্স প্রদান করা হলেও এখনো কলসেন্টার শিল্পে বাংলাদেশের সম্ভাবনা শেষ হয়ে যায়নি বলে মনে করছেন তথ্যপ্রযুক্তি বিশেষজ্ঞরা। যদিও বাংলাদেশে অনেক মানুষই এই শিল্প সম্বন্ধে বিস্তারিত কারিগরী জ্ঞান ব্যতিরেকে কলসেন্টার লাইসেন্স গ্রহণ করার কারণে কলসেন্টার চালু করতে ব্যর্থ হয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে।</p>
<p>বাংলাদেশের অবস্থান কলসেন্টার শিল্পে প্রতিষ্ঠিত করতে হলে তথ্যপ্রযুক্তি বিশেষজ্ঞদের মতে নিম্নোক্ত বিষয়াদি নিশ্চিত করা প্রয়োজন।</p>
<p><strong>নিরবিচ্ছিন্ন বিদ্যুত সেবা</strong><br />
কলসেন্টারের কার্যক্রম যেহেতু ক্লায়েন্ট ভিত্তিক হয়ে থাকে সেহেতু এই সেবা পরিচালনার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হিসেবে বিবেচনা করা হয়ে থাকে নিরবিচ্ছিন্ন বিদ্যুত সেবা প্রাপ্তির বিষয়টি। কেননা, টেলিমার্কেটিং কাজে নিয়োজিত একজন কলসেন্টার কর্মী যখন বিশ্বের অন্য প্রান্তে অবস্থানকারী ব্যক্তির সাথে কথোপকথনে নিয়োজিত থাকে তখন যদি বিদ্যুত চলে যায় তবে ব্যবসায়িক চুক্তি ভঙ্গ হওয়ার কারণে বায়াররা সেই প্রতিষ্ঠান হতে কাজ সমূহ অন্যত্র প্রদান করে থাকে। ফলে কলসেন্টার শিল্পে কাজের অর্ডারসমূহ নিশ্চিত করতে প্রয়োজন নিরবিচ্ছিন্ন বিদ্যুত সেবার নিশ্চয়তা। এক্ষেত্রে সরকারের উচিত ইনকিউবেটর অথবা হাইটেক পার্কে কলসেন্টার পরিচালনাকারী প্রতিষ্ঠানসমূহকে জায়গা বরাদ্দ দেওয়ার মাধ্যমে নিরবিচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সেবা নিশ্চিতকরণ।</p>
<p><strong>ইন্টারনেট ভিত্তিক অবকাঠামোর মানউন্নয়ন</strong><br />
বাংলাদেশে কলসেন্টার স্থাপনের লক্ষ্যে ব্যান্ডউইডথ চার্জ বর্তমানের তুলনায় আরো স্বল্পমূল্যে প্রদান করতে হবে এবং নিরবিচ্ছিন্ন ইন্টারনেট সেবা প্রদানের লক্ষ্যে কাজ করে যেতে হবে। ইতোপূর্বে বার বার সাবমেরিন ক্যাবলে ফাইবার অপটিক নেটওয়ার্কের নিরাপত্তা বিঘিœত হওয়ার মাধ্যমে সারাদেশে ইন্টারনেট সংযোগ বিচ্ছিন্ন হওয়ায় ভবিষ্যতে সাবমেরিন ক্যাবলের ফাইবার অপটিক নেটওয়ার্কের নিরাপত্তা যথাযথভাবে নিশ্চিত করতে হবে।</p>
<p><strong>ব্যাংক ঋণ</strong><br />
কলসেন্টার স্থাপনের অবকাঠামোগত ব্যয় অত্যাধিক হওয়ায় ক্ষুদ্র এবং মাঝারি পর্যায়ে কলসেন্টার স্থাপনের লক্ষ্যে উদ্যোক্তাদের সহজ শর্তে ব্যাংক ঋণ প্রদানের ব্যবস্থা করতে হবে। এক্ষেত্রে সাধারণ শিল্প স্থাপনের ন্যায় নিয়মের বেড়াজালে তথ্যপ্রযুক্তি নির্ভর কলসেন্টার শিল্পকে মূল্যায়িত করলে তা হবে এই শিল্পের জন্য ক্ষতির কারণ।</p>
<p>সঠিক পরিকল্পনা প্রণয়ন এবং বাস্তবায়নের মাধ্যমেই দেশের কলসেন্টার স্থাপনের মাধ্যমে দেশের অর্থনীতিকে সমৃদ্ধ করা সম্ভব। সরকারের সহযোগিতা এক্ষেত্রে সর্বাপেক্ষা ভূমিকা রাখতে সক্ষম।</p>
<p>ইশতিয়াক মাহমুদ<br />
দৈনিক ইত্তেফাক, ৫ সেপ্টেম্বর ২০০৯<br />
ছবির সৌজন্যে : কম্পিউটার সোর্স</p>
<div id="_mcePaste" style="overflow: hidden; position: absolute; left: -10000px; top: 0px; width: 1px; height: 1px;">দ্রুত পরিবর্তনশীল তথ্যপ্রযুক্তি শিল্পে বাংলাদেশের অবস্থান ধীরে ধীরে সুসংহত অবস্থায় উপনীত হলেও অবকাঠামোগত দূর্বলতা এবং যথাযথ প্রযুক্তি নির্ভর জ্ঞানের অভাবে সম্ভাবনাময় কলসেন্টার শিল্পে বাংলাদেশের বর্তমান অবস্থান আশাপ্রদ নয়। ব্যাপক আগ্রহ এবং ঢাকঢোল পিটিয়ে কলসেন্টার শিল্পে বাংলাদেশের প্রবেশ এক বছরেরও বেশি সময় ধরে অতিবাহিত হলেও কলসেন্টার শিল্পে বাংলাদেশের অবস্থান বর্তমানে খুবই স্বল্প পরিসরে। উন্নত বিশ্বের পাশাপাশি উন্নয়নশীল বিভিন্ন দেশসমূহে কলসেন্টার শিল্পে যখন নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করতে সক্ষম হয়েছে তখন বাংলাদেশের কলসেন্টার শিল্পে অগ্রগতি আশাব্যঞ্জক নয়। অনেক দেরি হলেও বাংলাদেশ কলসেন্টার শিল্পে প্রবেশ করায় বিশেষজ্ঞরা ধারণা করেছিলেন কলসেন্টার শিল্পে অচিরেই বাংলাদেশের অবস্থান সন্তোষজনক অবস্থায় উপনীত হবে। কিন্তু সত্যিকার অর্থে কলসেন্টার প্রতিষ্ঠা করা বাংলাদেশের বর্তমান প্রেক্ষিতে কতটা কার্যকর এই বিষয়ে এখনও তেমন সুস্পষ্ট ধারণা অর্জন করতে পারেনি আগ্রহী অনেক ব্যক্তি।<br />
এই কলসেন্টার স্থাপনের মাধ্যমে প্রচুর বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করা সম্ভব বলে জোরগলায় বলা হলেও আমাদের দেশের দুর্বল প্রযুক্তিগত অবকাঠামো এই ব্যবসার ক্ষেত্রে কতটুকু সহায়ক এই বিষয়টি নিয়ে চিন্তিত দেশের তথ্যপ্রযুক্তি সংশ্লিষ্ট সকল ব্যক্তি। কেননা গত বছর লাইসেন্স প্রদান করা হলেও তিনটি ক্যাটাগরিতে প্রাপ্ত লাইসেন্সের শর্তানুযায়ী প্রতিটি প্রতিষ্ঠানকে ছয় মাসের মধ্যে কার্যক্রম শুরু করতে শর্ত প্রদান করা হলেও অনেক প্রতিষ্ঠানই পরবর্তী পর্যায়ে সময় বৃদ্ধির আবেদন করেছে। কলসেন্টার লাইসেন্স গ্রহণকারী অনেক প্রতিষ্ঠানেরই কলসেন্টার শিল্পসংশ্লিষ্ট বিশদ জ্ঞান না থাকায় প্রাথমিকভাবেই বিপর্যয়ের সম্মুখীন। সেই সাথে এখন পর্যন্ত বাংলাদেশে ইন্টারনেট ভিত্তিক দুর্বল অবকাঠামো বিষয়টিকে করে তুলেছে জটিল অবস্থায়। কেননা, উচ্চমূল্যের বিনিময়ে এখন পর্যন্ত বাংলাদেশে যে পরিমাণ ইন্টারনেটের গতি নিশ্চিত করা সম্ভব হয় তা নিরবিচ্ছিন্ন নয়। বিশেষ করে বিদেশের ক্লায়েন্ট নির্ভর এই কলসেন্টার শিল্পে নিরবিচ্ছিন্ন ইন্টারনেট সেবা খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয় হিসেবে বিবেচিত হয়ে থাকে। সেই সাথে নিরবিচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহের বিষয়টি বর্তমানে কলসেন্টার স্থাপনের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। কেননা, সার্বক্ষণিক বিদ্যুৎ সরবরাহ ব্যতিত কলসেন্টার বাস্তবায়ন করা সম্ভব নয় বলে জানিয়েছেন কলসেন্টার শিল্প সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গ। জেনারেটর ব্যবহারের মাধ্যমে বিদ্যুৎ সমস্যার সমাধানের উদ্যোগ প্রতিষ্ঠান পর্যায়ে গ্রহণ করা হলেও সাম্প্রতিক সময়ে জ্বালানী তেলের উচ্চমূল্য বিষয়টি করে তুলেছে ব্যয়বহুল।<br />
সেই সাথে একটি বিষয়ে কলসেন্টার শিল্পের সাথে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গের মনে রাখা উচিত, কলসেন্টার ব্যবসাতে বাংলাদেশের সম্ভাবনা রয়েছে কথাটি কিন্তু সত্যি। কিন্তু তার জন্য শুধু যে লাইসেন্স গ্রহণ করে কলসেন্টার প্রতিষ্ঠা করলেই হবে তা নয়। আউটসোর্সিং-এ নিজেদের অবস্থান কেমন হবে সে সম্পর্কে পূর্বেই সুস্পষ্ট জ্ঞান অর্জন করা প্রয়োজন। কেননা এই শিল্পে যেমন বিপুল পরিমান অর্থ আয় করার সুযোগ রয়েছে তেমনি এই কলসেন্টার ব্যবসা কিন্তু খুবই নাজুক ব্যবসা হিসেবে পরিচিত। সামান্যতম সেবার ত্রুটি বিচ্যুতি এই ব্যবসাতে বিপর্যয় ডেকে আনতে পারে। তাই সচেতনভাবে নিজেদেরকে পূর্ণাঙ্গ প্রস্তুত করে এই ব্যবসাতে বিনিয়োগ করা উচিত। সেই সাথে কলসেন্টার ব্যবসা সম্পর্কে পূর্ণাঙ্গ ধারণা অর্জন করতে হয়।<br />
কিন্তু বাংলাদেশের পরিপ্রেক্ষিতে ঘটেছে উল্টো ঘটনা। আমাদের বাংলাদেশে যে কোন নতুন প্রযুক্তি প্রবেশের সময় বেশ হৈচৈ হয়ে থাকে। পরবর্তী সময়ে দেখা যায় সে বিষয়টি ধীরে ধীরে কোন ভূমিকা রাখতে সক্ষম হয়ে উঠে না। পূর্বে অনেক ক্ষেত্রেই বিষয়টি হয়ে থাকায় অনেকের মধ্যেই সন্দেহের সৃষ্টি হয়েছে তুমুল আলোচিত কলসেন্টার-এর ক্ষেত্রে বিষয়টি কোন অবস্থানে রয়েছে। প্রাথমিক অবস্থায় অনেক ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানই কলসেন্টার বিষয়ে আগ্রহ প্রকাশ করলেও মাত্র ৪শত প্রতিষ্ঠানের কলসেন্টার লাইসেন্স গ্রহণ কলসেন্টার শিল্পে বাংলাদেশের মন্থর সূচনা বলে অনেকেই মনে করছে। তিনটি ক্যাটাগরিতে লাইসেন্স প্রাপ্ত এই প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে কলসেন্টার লাইসেন্স গ্রহণ করেছে ২৯২টি, হোস্টেড কলসেন্টার লাইসেন্স গ্রহণ করেছে ৬৪টি এবং হোস্টেড কলসেন্টার সার্ভিস প্রোভাইডার লাইসেন্স গ্রহণ করেছে ৫১টি প্রতিষ্ঠান।<br />
বাংলাদেশ টেলিকমিউনিকেশন রেগুলেটরি কমিশন (বিটিআরসি) মাত্র পাঁচ হাজার টাকায় কলসেন্টার লাইসেন্স প্রদান করায় যথাযথ প্রযুক্তি জ্ঞান বিহীন বিভিন্ন ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান কলসেন্টার লাইসেন্স গ্রহণ করে। প্রায় ৪শত উদ্যোক্তাকে কলসেন্টার স্থাপনের লাইসেন্স প্রদান করা হলেও বর্তমানে বাংলাদেশে মাত্র ৩০-৩৫টি কলসেন্টার কার্যক্রম শুরু করতে সক্ষম হয়েছে। কিন্তু প্রযুক্তিগত জ্ঞানের অভাব এবং নানাবিধ জটিলতার কারণে ইতোমধ্যে ২৬টি কলসেন্টার লাইসেন্স প্রাপ্ত প্রতিষ্ঠান কলসেন্টার প্রতিষ্ঠা করতে ব্যর্থ হওয়ায় তাদের লাইসেন্স বিটিআরসি’র নিকট ফিরিয়ে দিয়েছে। যার মধ্যে রয়েছে কলসেন্টার লাইসেন্স প্রাপ্ত ১০টি প্রতিষ্ঠান, হোস্টেড কলসেন্টার লাইসেন্স প্রাপ্ত ৮টি প্রতিষ্ঠান এবং হোস্টেড কলসেন্টার সার্ভিস প্রোভাইডার ৮টি প্রতিষ্ঠান। কেননা, যথাযথ প্রযুক্তি জ্ঞান এবং অবকাঠামোগত উন্নয়ন ব্যয়বহুল হওয়ায় কলসেন্টার শিল্পে বাংলাদেশের অবস্থান সন্তোষজনক ভূমিকা রাখতে ব্যর্থ হয়ে চলেছে। এর অন্যতম কারণ হিসেবে বিবেচনা হচ্ছে আমাদের দেশে এখনো দুর্বল অবকাঠামোর বিষয়টিকে। ইন্টারনেটের ব্যবহারের উচ্চমূল্য এবং ঘনঘন সংযোগ বিচ্যুতির ঘটনা কলসেন্টার ব্যবসাতে বিরূপ প্রভাব ফেলে থাকে। কেননা উন্নত বিশ্ব হতে আউটসোর্সিং-এর মাধ্যমে আনিত কাজ সময় মতো শেষ করতে না পারলে কলসেন্টার খাতে কাজের অর্ডারই বাতিল হয়ে যায়। ফলে কলসেন্টার খাতে ব্যবসা পরিচালনা করা দূরূহ হয়ে থাকে।<br />
কলসেন্টার লাইসেন্স প্রদানের সময় বলা হয়েছিল ২০০৯ সালের মধ্যে সারাবিশ্বে কলসেন্টার ব্যবসার পরিমাণ দাঁড়াবে ৬৪০ বিলিয়ন ইউএস ডলার। প্রাথমিক অবস্থায় বাংলাদেশ যদি এর এক শতাংশ বাজার নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নিতে সক্ষম হয় তবে প্রতি বছর বাংলাদেশে শুধু কলসেন্টারের মাধ্যমেই অন্তত ছয় বিলিয়ন ইউএস ডলার আয় করা সম্ভব যা বাংলাদেশী মুদ্রায় ৪০ হাজার কোটি টাকারও বেশি। ফলে বাংলাদেশের বর্তমান রিজার্ভ-এর চেয়ে বেশি পরিমাণ অর্থ প্রতি বছর আয় করা সম্ভব হবে। কিন্তু বর্তমান কলসেন্টার শিল্পে বাংলাদেশের অবস্থান এই সম্ভাবনাকে বাস্তবে রূপ দেওয়ার ক্ষেত্রে অনেক দূরে অবস্থান করছে। বাংলাদেশে কলসেন্টার চালু করা প্রতিষ্ঠান সমূহের মধ্যে স্মার্ট টেকনোলজিস অন্যতম। স্মার্ট টেকনোলজিস-এর জেনারেল ম্যানেজার মোঃ তৈয়ব উল্লাহ বলেন, ‘প্রায় ৮ মাস আগে লাইসেন্স গ্রহণ করার মাধ্যমে আমাদের ২৫ সিটের কলসেন্টার স্থাপন কার্যক্রম শুরু করা হয়। এক মাস আগে চালু করা হয়েছে আমাদের কলসেন্টার। যদিও প্রাথমিক অবস্থায় শুধু দিনের বেলা ১০ জন কলসেন্টার কর্মীর মাধ্যমে আমরা কলসেন্টার সেবা প্রদান করে চলেছি। আমাদের ক্লায়েন্ট মূলত দুবাই ভিত্তিক। আমরা দুবাই’তে বিশ্বখ্যাত প্রযুক্তি পণ্য নির্মাতা টুইনমস এর সকল পণ্য সংশ্লিষ্ট সেবা প্রদান করে চলেছি। এই সেবা প্রদানে আমাদের কলসেন্টারে বর্তমানে রয়েছে ৮জন ইংরেজি মাধ্যম থেকে পাসকৃত ব্যক্তি। প্রাথমিক অবস্থায় ই-ওয়ান সংযোগ না থাকলেও বর্তমানে তা চালু রয়েছে। যদিও আমরা বর্তমানে আইপি দিয়ে কলসেন্টার সেবা পরিচালনা করছি। আমি মনে করি আমাদের পার্শ্ববর্তী দেশ ভারতের কলসেন্টার শিল্পের অনুরূপ বাংলাদেশে কলসেন্টার শিল্পের উজ্জ্বল সম্ভাবনা রয়েছে। যদিও কলসেন্টার প্রতিষ্ঠার অন্যতম প্রতিবন্ধকতা হিসেবে কলসেন্টার সংশ্লিষ্ট কারিগরি দক্ষ লোকবলের অভাব রয়েছে বাংলাদেশে। সেই সাথে বিদ্যুত আসা যাওয়ার সমস্যা, ইংরেজি ভাষাতে দক্ষ কলসেন্টার কর্মীর অভাব এবং বায়ার খুঁজে পাওয়ার জটিলতা এক্ষেত্রে কলসেন্টার কার্যক্রম পরিচালনায় জটিলতা তৈরি করে থাকে। কলসেন্টার পরিচালনায় বাংলাদেশ সফল না ব্যর্থ হবে তা বলার সময় এখনো আসেনি বলে আমি মনে করি।’ একই ধরনের মন্তব্য করেছেন কলসেন্টার চালু করা হাইটেক আইটি সলিউশন’র সিইও এ কে এম ফজলুল হক খোকন। তিনি বলেন, ‘আমরা যুক্তরাষ্ট্রে টেলি মার্কেটিং সাফল্যজনকভাবে করে চলেছি। ২০ আসন বিশিষ্ট্য কলসেন্টার স্থাপনে আমাদের ৩০-৩৫ লাখ টাকা ব্যয় করতে হয়েছে। শুধু মাত্র সফটওয়্যার এবং সার্ভার ক্রয়ের ক্ষেত্রেই ব্যয় হয়েছে ১০ লাখ টাকা। সেই সাথে আইপিএলসি লাইন নিতে প্রয়োজন হয় ৩-৪ লাখ টাকা। ফলে কলসেন্টার স্থাপনের যে ব্যয় তা অনেক লাইসেন্স গ্রহণকারী প্রতিষ্ঠানের পক্ষেই বহন করা সম্ভব না হওয়ায় বাংলাদেশে কলসেন্টার শিল্প গড়ে উঠতে দেরি হচ্ছে। হাইটেক স্যাটেলাইটের প্রেসিডেন্ট যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী প্রকৌশলী মাহফুজুল হক বাংলাদেশে হাইটেক আইটি সলিউশন প্রতিষ্ঠা করেছেন। আমাদের প্রতিষ্ঠান হাইটেক স্যাটেলাইটের যুক্তরাষ্ট্রে ডিশ টিভি এবং ডিরেক্ট টিভির সেবা প্রদানের ব্যবসা পরিচালনার সুবাদে আমরা বাংলাদেশ থেকেই কলসেন্টারের মাধ্যমে এই বিষয়ে সাফল্যের সাথে টেলিমার্কেটিং করে চলেছি। সেই সাথে অস্ট্রেলিয়াতে বিভিন্ন ধরনের টেলিমার্কেটিং সেবা প্রদান করে চলেছি যার মধ্যে রয়েছে বিভিন্ন ধরনের ওয়েব নির্ভর সেবা এবং বাংলাদেশের রিয়েল এস্টেট ব্যবসা সংক্রান্ত। আমাদের কাজের চাহিদার তুলনায় কলসেন্টার পরিচালনার ক্ষেত্রে সবচেয়ে বড় বাধা হিসেবে দক্ষ জনবল এবং বিদ্যুত সমস্যা উল্লেখযোগ্য। বাংলাদেশের পরিপ্রেক্ষিতে উচ্চমূল্যের বেতন প্রদানে আমরা সম্মত হলেও ইংরেজি ভাষাতে দক্ষ কলসেন্টার কর্মী প্রয়োজন অনুযায়ী নিয়োগ প্রদান করা সম্ভব হচ্ছে না। সেই সাথে টেলিমার্কেটিংয়ে মেয়েদের অগ্রাধিকার থাকলেও ইউরোপ আমেরিকার সাথে বাংলাদেশের সময় পার্থক্যের কারণে সাধারণত রাতের শিফটে বাংলাদেশের সামাজিক পরিপ্রেক্ষিতে মেয়েদের কাজের প্রতি অনাগ্রহ রয়েছে।’ বাংলাদেশে কলসেন্টার চালু করা অন্যতম প্রতিষ্ঠান ওয়ান কলের কলসেন্টার সুপারভাইজার মিথিলা তাদের কলসেন্টার সম্পর্কে বলেন, ‘কলসেন্টার শিল্পে দ্রুত উন্নতির জন্য এখাতে গণসচেতনতা বৃদ্ধি, কলসেন্টার লাইসেন্স প্রদানে আরও যুগোপযোগী নীতিমালা প্রণয়ন, বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে কলসেন্টার বিষয়ে শর্ট কোর্স চালু, ইংরেজিতে কথা বলতে দক্ষতা বৃদ্ধি, কলসেন্টার ভিত্তিক বিশেষ জোন গড়ে তোলা এবং কলসেন্টারের জন্য প্রয়োজনীয় সকল বিষয় নিশ্চিত করে একজন উদ্যোক্তার কলসেন্টার চালু করা উচিত।’ যদিও কলসেন্টার শিল্পে প্রবেশের লাইসেন্স গ্রহণকারী অনেক প্রতিষ্ঠানসমূহের রয়েছে বিরূপ প্রতিক্রিয়া। নাম প্রকাশ না করার শর্তে কলসেন্টার লাইসেন্স গ্রহণকারী একটি প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা বলেন, ‘কলসেন্টার স্থাপনের লক্ষ্যে ১০ আসনের কলসেন্টার স্থাপন করার পরেও বায়ার সমস্যা এবং ইংরেজি ভাষাতে দক্ষ জনবলের অভাবের কারণে আমরা কলসেন্টার চালু করলেও বন্ধ করে দিতে বাধ্য হয়েছি অব্যাহত লোকসানের কারণে। কেননা, কার্যকরী কমিউনিকেশন নেটওয়ার্ককে কলসেন্টারের মূল হিসেবে বিবেচনা করা হয়ে থাকে। এক্ষেত্রে দক্ষ কলসেন্টার কর্মীর অভাবে বায়ারদের চাহিদা অনুযায়ী টেলিমার্কেটিং করা অনেক ক্ষেত্রেই সম্ভবপর না হওয়ায় বায়াররা অন্য দেশের কলসেন্টার প্রতিষ্ঠানকে সেই কাজ প্রদান করে থাকে।’<br />
বিশ্বের বিভিন্ন দেশের তুলনায় দেরিতে বাংলাদেশে কলসেন্টার লাইসেন্স প্রদান করা হলেও এখনো কলসেন্টার শিল্পে বাংলাদেশের সম্ভাবনা শেষ হয়ে যায়নি বলে মনে করছেন তথ্যপ্রযুক্তি বিশেষজ্ঞরা। যদিও বাংলাদেশে অনেক মানুষই এই শিল্প সম্বন্ধে বিস্তারিত কারিগরী জ্ঞান ব্যতিরেকে কলসেন্টার লাইসেন্স গ্রহণ করার কারণে কলসেন্টার চালু করতে ব্যর্থ হয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে।<br />
বাংলাদেশের অবস্থান কলসেন্টার শিল্পে প্রতিষ্ঠিত করতে হলে তথ্যপ্রযুক্তি বিশেষজ্ঞদের মতে নিম্নোক্ত বিষয়াদি নিশ্চিত করা প্রয়োজন।<br />
নিরবিচ্ছিন্ন বিদ্যুত সেবা<br />
কলসেন্টারের কার্যক্রম যেহেতু ক্লায়েন্ট ভিত্তিক হয়ে থাকে সেহেতু এই সেবা পরিচালনার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হিসেবে বিবেচনা করা হয়ে থাকে নিরবিচ্ছিন্ন বিদ্যুত সেবা প্রাপ্তির বিষয়টি। কেননা, টেলিমার্কেটিং কাজে নিয়োজিত একজন কলসেন্টার কর্মী যখন বিশ্বের অন্য প্রান্তে অবস্থানকারী ব্যক্তির সাথে কথোপকথনে নিয়োজিত থাকে তখন যদি বিদ্যুত চলে যায় তবে ব্যবসায়িক চুক্তি ভঙ্গ হওয়ার কারণে বায়াররা সেই প্রতিষ্ঠান হতে কাজ সমূহ অন্যত্র প্রদান করে থাকে। ফলে কলসেন্টার শিল্পে কাজের অর্ডারসমূহ নিশ্চিত করতে প্রয়োজন নিরবিচ্ছিন্ন বিদ্যুত সেবার নিশ্চয়তা। এক্ষেত্রে সরকারের উচিত ইনকিউবেটর অথবা হাইটেক পার্কে কলসেন্টার পরিচালনাকারী প্রতিষ্ঠানসমূহকে জায়গা বরাদ্দ দেওয়ার মাধ্যমে নিরবিচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সেবা নিশ্চিতকরণ।<br />
ইন্টারনেট ভিত্তিক অবকাঠামোর মানউন্নয়ন<br />
বাংলাদেশে কলসেন্টার স্থাপনের লক্ষ্যে ব্যান্ডউইডথ চার্জ বর্তমানের তুলনায় আরো স্বল্পমূল্যে প্রদান করতে হবে এবং নিরবিচ্ছিন্ন ইন্টারনেট সেবা প্রদানের লক্ষ্যে কাজ করে যেতে হবে। ইতোপূর্বে বার বার সাবমেরিন ক্যাবলে ফাইবার অপটিক নেটওয়ার্কের নিরাপত্তা বিঘিœত হওয়ার মাধ্যমে সারাদেশে ইন্টারনেট সংযোগ বিচ্ছিন্ন হওয়ায় ভবিষ্যতে সাবমেরিন ক্যাবলের ফাইবার অপটিক নেটওয়ার্কের নিরাপত্তা যথাযথভাবে নিশ্চিত করতে হবে।<br />
ব্যাংক ঋণ<br />
কলসেন্টার স্থাপনের অবকাঠামোগত ব্যয় অত্যাধিক হওয়ায় ক্ষুদ্র এবং মাঝারি পর্যায়ে কলসেন্টার স্থাপনের লক্ষ্যে উদ্যোক্তাদের সহজ শর্তে ব্যাংক ঋণ প্রদানের ব্যবস্থা করতে হবে। এক্ষেত্রে সাধারণ শিল্প স্থাপনের ন্যায় নিয়মের বেড়াজালে তথ্যপ্রযুক্তি নির্ভর কলসেন্টার শিল্পকে মূল্যায়িত করলে তা হবে এই শিল্পের জন্য ক্ষতির কারণ।<br />
সঠিক পরিকল্পনা প্রণয়ন এবং বাস্তবায়নের মাধ্যমেই দেশের কলসেন্টার স্থাপনের মাধ্যমে দেশের অর্থনীতিকে সমৃদ্ধ করা সম্ভব। সরকারের সহযোগিতা এক্ষেত্রে সর্বাপেক্ষা ভূমিকা রাখতে সক্ষম।<br />
ইশতিয়াক মাহমুদ<br />
দৈনিক ইত্তেফাক, ৫ সেপ্টেম্বর ২০০৯<br />
ছবির সৌজন্যে : কম্পিউটার সোর্সদ্রুত পরিবর্তনশীল তথ্যপ্রযুক্তি শিল্পে বাংলাদেশের অবস্থান ধীরে ধীরে সুসংহত অবস্থায় উপনীত হলেও অবকাঠামোগত দূর্বলতা এবং যথাযথ প্রযুক্তি নির্ভর জ্ঞানের অভাবে সম্ভাবনাময় কলসেন্টার শিল্পে বাংলাদেশের বর্তমান অবস্থান আশাপ্রদ নয়। ব্যাপক আগ্রহ এবং ঢাকঢোল পিটিয়ে কলসেন্টার শিল্পে বাংলাদেশের প্রবেশ এক বছরেরও বেশি সময় ধরে অতিবাহিত হলেও কলসেন্টার শিল্পে বাংলাদেশের অবস্থান বর্তমানে খুবই স্বল্প পরিসরে। উন্নত বিশ্বের পাশাপাশি উন্নয়নশীল বিভিন্ন দেশসমূহে কলসেন্টার শিল্পে যখন নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করতে সক্ষম হয়েছে তখন বাংলাদেশের কলসেন্টার শিল্পে অগ্রগতি আশাব্যঞ্জক নয়। অনেক দেরি হলেও বাংলাদেশ কলসেন্টার শিল্পে প্রবেশ করায় বিশেষজ্ঞরা ধারণা করেছিলেন কলসেন্টার শিল্পে অচিরেই বাংলাদেশের অবস্থান সন্তোষজনক অবস্থায় উপনীত হবে। কিন্তু সত্যিকার অর্থে কলসেন্টার প্রতিষ্ঠা করা বাংলাদেশের বর্তমান প্রেক্ষিতে কতটা কার্যকর এই বিষয়ে এখনও তেমন সুস্পষ্ট ধারণা অর্জন করতে পারেনি আগ্রহী অনেক ব্যক্তি।<br />
এই কলসেন্টার স্থাপনের মাধ্যমে প্রচুর বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করা সম্ভব বলে জোরগলায় বলা হলেও আমাদের দেশের দুর্বল প্রযুক্তিগত অবকাঠামো এই ব্যবসার ক্ষেত্রে কতটুকু সহায়ক এই বিষয়টি নিয়ে চিন্তিত দেশের তথ্যপ্রযুক্তি সংশ্লিষ্ট সকল ব্যক্তি। কেননা গত বছর লাইসেন্স প্রদান করা হলেও তিনটি ক্যাটাগরিতে প্রাপ্ত লাইসেন্সের শর্তানুযায়ী প্রতিটি প্রতিষ্ঠানকে ছয় মাসের মধ্যে কার্যক্রম শুরু করতে শর্ত প্রদান করা হলেও অনেক প্রতিষ্ঠানই পরবর্তী পর্যায়ে সময় বৃদ্ধির আবেদন করেছে। কলসেন্টার লাইসেন্স গ্রহণকারী অনেক প্রতিষ্ঠানেরই কলসেন্টার শিল্পসংশ্লিষ্ট বিশদ জ্ঞান না থাকায় প্রাথমিকভাবেই বিপর্যয়ের সম্মুখীন। সেই সাথে এখন পর্যন্ত বাংলাদেশে ইন্টারনেট ভিত্তিক দুর্বল অবকাঠামো বিষয়টিকে করে তুলেছে জটিল অবস্থায়। কেননা, উচ্চমূল্যের বিনিময়ে এখন পর্যন্ত বাংলাদেশে যে পরিমাণ ইন্টারনেটের গতি নিশ্চিত করা সম্ভব হয় তা নিরবিচ্ছিন্ন নয়। বিশেষ করে বিদেশের ক্লায়েন্ট নির্ভর এই কলসেন্টার শিল্পে নিরবিচ্ছিন্ন ইন্টারনেট সেবা খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয় হিসেবে বিবেচিত হয়ে থাকে। সেই সাথে নিরবিচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহের বিষয়টি বর্তমানে কলসেন্টার স্থাপনের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। কেননা, সার্বক্ষণিক বিদ্যুৎ সরবরাহ ব্যতিত কলসেন্টার বাস্তবায়ন করা সম্ভব নয় বলে জানিয়েছেন কলসেন্টার শিল্প সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গ। জেনারেটর ব্যবহারের মাধ্যমে বিদ্যুৎ সমস্যার সমাধানের উদ্যোগ প্রতিষ্ঠান পর্যায়ে গ্রহণ করা হলেও সাম্প্রতিক সময়ে জ্বালানী তেলের উচ্চমূল্য বিষয়টি করে তুলেছে ব্যয়বহুল।<br />
সেই সাথে একটি বিষয়ে কলসেন্টার শিল্পের সাথে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গের মনে রাখা উচিত, কলসেন্টার ব্যবসাতে বাংলাদেশের সম্ভাবনা রয়েছে কথাটি কিন্তু সত্যি। কিন্তু তার জন্য শুধু যে লাইসেন্স গ্রহণ করে কলসেন্টার প্রতিষ্ঠা করলেই হবে তা নয়। আউটসোর্সিং-এ নিজেদের অবস্থান কেমন হবে সে সম্পর্কে পূর্বেই সুস্পষ্ট জ্ঞান অর্জন করা প্রয়োজন। কেননা এই শিল্পে যেমন বিপুল পরিমান অর্থ আয় করার সুযোগ রয়েছে তেমনি এই কলসেন্টার ব্যবসা কিন্তু খুবই নাজুক ব্যবসা হিসেবে পরিচিত। সামান্যতম সেবার ত্রুটি বিচ্যুতি এই ব্যবসাতে বিপর্যয় ডেকে আনতে পারে। তাই সচেতনভাবে নিজেদেরকে পূর্ণাঙ্গ প্রস্তুত করে এই ব্যবসাতে বিনিয়োগ করা উচিত। সেই সাথে কলসেন্টার ব্যবসা সম্পর্কে পূর্ণাঙ্গ ধারণা অর্জন করতে হয়।<br />
কিন্তু বাংলাদেশের পরিপ্রেক্ষিতে ঘটেছে উল্টো ঘটনা। আমাদের বাংলাদেশে যে কোন নতুন প্রযুক্তি প্রবেশের সময় বেশ হৈচৈ হয়ে থাকে। পরবর্তী সময়ে দেখা যায় সে বিষয়টি ধীরে ধীরে কোন ভূমিকা রাখতে সক্ষম হয়ে উঠে না। পূর্বে অনেক ক্ষেত্রেই বিষয়টি হয়ে থাকায় অনেকের মধ্যেই সন্দেহের সৃষ্টি হয়েছে তুমুল আলোচিত কলসেন্টার-এর ক্ষেত্রে বিষয়টি কোন অবস্থানে রয়েছে। প্রাথমিক অবস্থায় অনেক ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানই কলসেন্টার বিষয়ে আগ্রহ প্রকাশ করলেও মাত্র ৪শত প্রতিষ্ঠানের কলসেন্টার লাইসেন্স গ্রহণ কলসেন্টার শিল্পে বাংলাদেশের মন্থর সূচনা বলে অনেকেই মনে করছে। তিনটি ক্যাটাগরিতে লাইসেন্স প্রাপ্ত এই প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে কলসেন্টার লাইসেন্স গ্রহণ করেছে ২৯২টি, হোস্টেড কলসেন্টার লাইসেন্স গ্রহণ করেছে ৬৪টি এবং হোস্টেড কলসেন্টার সার্ভিস প্রোভাইডার লাইসেন্স গ্রহণ করেছে ৫১টি প্রতিষ্ঠান।<br />
বাংলাদেশ টেলিকমিউনিকেশন রেগুলেটরি কমিশন (বিটিআরসি) মাত্র পাঁচ হাজার টাকায় কলসেন্টার লাইসেন্স প্রদান করায় যথাযথ প্রযুক্তি জ্ঞান বিহীন বিভিন্ন ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান কলসেন্টার লাইসেন্স গ্রহণ করে। প্রায় ৪শত উদ্যোক্তাকে কলসেন্টার স্থাপনের লাইসেন্স প্রদান করা হলেও বর্তমানে বাংলাদেশে মাত্র ৩০-৩৫টি কলসেন্টার কার্যক্রম শুরু করতে সক্ষম হয়েছে। কিন্তু প্রযুক্তিগত জ্ঞানের অভাব এবং নানাবিধ জটিলতার কারণে ইতোমধ্যে ২৬টি কলসেন্টার লাইসেন্স প্রাপ্ত প্রতিষ্ঠান কলসেন্টার প্রতিষ্ঠা করতে ব্যর্থ হওয়ায় তাদের লাইসেন্স বিটিআরসি’র নিকট ফিরিয়ে দিয়েছে। যার মধ্যে রয়েছে কলসেন্টার লাইসেন্স প্রাপ্ত ১০টি প্রতিষ্ঠান, হোস্টেড কলসেন্টার লাইসেন্স প্রাপ্ত ৮টি প্রতিষ্ঠান এবং হোস্টেড কলসেন্টার সার্ভিস প্রোভাইডার ৮টি প্রতিষ্ঠান। কেননা, যথাযথ প্রযুক্তি জ্ঞান এবং অবকাঠামোগত উন্নয়ন ব্যয়বহুল হওয়ায় কলসেন্টার শিল্পে বাংলাদেশের অবস্থান সন্তোষজনক ভূমিকা রাখতে ব্যর্থ হয়ে চলেছে। এর অন্যতম কারণ হিসেবে বিবেচনা হচ্ছে আমাদের দেশে এখনো দুর্বল অবকাঠামোর বিষয়টিকে। ইন্টারনেটের ব্যবহারের উচ্চমূল্য এবং ঘনঘন সংযোগ বিচ্যুতির ঘটনা কলসেন্টার ব্যবসাতে বিরূপ প্রভাব ফেলে থাকে। কেননা উন্নত বিশ্ব হতে আউটসোর্সিং-এর মাধ্যমে আনিত কাজ সময় মতো শেষ করতে না পারলে কলসেন্টার খাতে কাজের অর্ডারই বাতিল হয়ে যায়। ফলে কলসেন্টার খাতে ব্যবসা পরিচালনা করা দূরূহ হয়ে থাকে।<br />
কলসেন্টার লাইসেন্স প্রদানের সময় বলা হয়েছিল ২০০৯ সালের মধ্যে সারাবিশ্বে কলসেন্টার ব্যবসার পরিমাণ দাঁড়াবে ৬৪০ বিলিয়ন ইউএস ডলার। প্রাথমিক অবস্থায় বাংলাদেশ যদি এর এক শতাংশ বাজার নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নিতে সক্ষম হয় তবে প্রতি বছর বাংলাদেশে শুধু কলসেন্টারের মাধ্যমেই অন্তত ছয় বিলিয়ন ইউএস ডলার আয় করা সম্ভব যা বাংলাদেশী মুদ্রায় ৪০ হাজার কোটি টাকারও বেশি। ফলে বাংলাদেশের বর্তমান রিজার্ভ-এর চেয়ে বেশি পরিমাণ অর্থ প্রতি বছর আয় করা সম্ভব হবে। কিন্তু বর্তমান কলসেন্টার শিল্পে বাংলাদেশের অবস্থান এই সম্ভাবনাকে বাস্তবে রূপ দেওয়ার ক্ষেত্রে অনেক দূরে অবস্থান করছে। বাংলাদেশে কলসেন্টার চালু করা প্রতিষ্ঠান সমূহের মধ্যে স্মার্ট টেকনোলজিস অন্যতম। স্মার্ট টেকনোলজিস-এর জেনারেল ম্যানেজার মোঃ তৈয়ব উল্লাহ বলেন, ‘প্রায় ৮ মাস আগে লাইসেন্স গ্রহণ করার মাধ্যমে আমাদের ২৫ সিটের কলসেন্টার স্থাপন কার্যক্রম শুরু করা হয়। এক মাস আগে চালু করা হয়েছে আমাদের কলসেন্টার। যদিও প্রাথমিক অবস্থায় শুধু দিনের বেলা ১০ জন কলসেন্টার কর্মীর মাধ্যমে আমরা কলসেন্টার সেবা প্রদান করে চলেছি। আমাদের ক্লায়েন্ট মূলত দুবাই ভিত্তিক। আমরা দুবাই’তে বিশ্বখ্যাত প্রযুক্তি পণ্য নির্মাতা টুইনমস এর সকল পণ্য সংশ্লিষ্ট সেবা প্রদান করে চলেছি। এই সেবা প্রদানে আমাদের কলসেন্টারে বর্তমানে রয়েছে ৮জন ইংরেজি মাধ্যম থেকে পাসকৃত ব্যক্তি। প্রাথমিক অবস্থায় ই-ওয়ান সংযোগ না থাকলেও বর্তমানে তা চালু রয়েছে। যদিও আমরা বর্তমানে আইপি দিয়ে কলসেন্টার সেবা পরিচালনা করছি। আমি মনে করি আমাদের পার্শ্ববর্তী দেশ ভারতের কলসেন্টার শিল্পের অনুরূপ বাংলাদেশে কলসেন্টার শিল্পের উজ্জ্বল সম্ভাবনা রয়েছে। যদিও কলসেন্টার প্রতিষ্ঠার অন্যতম প্রতিবন্ধকতা হিসেবে কলসেন্টার সংশ্লিষ্ট কারিগরি দক্ষ লোকবলের অভাব রয়েছে বাংলাদেশে। সেই সাথে বিদ্যুত আসা যাওয়ার সমস্যা, ইংরেজি ভাষাতে দক্ষ কলসেন্টার কর্মীর অভাব এবং বায়ার খুঁজে পাওয়ার জটিলতা এক্ষেত্রে কলসেন্টার কার্যক্রম পরিচালনায় জটিলতা তৈরি করে থাকে। কলসেন্টার পরিচালনায় বাংলাদেশ সফল না ব্যর্থ হবে তা বলার সময় এখনো আসেনি বলে আমি মনে করি।’ একই ধরনের মন্তব্য করেছেন কলসেন্টার চালু করা হাইটেক আইটি সলিউশন’র সিইও এ কে এম ফজলুল হক খোকন। তিনি বলেন, ‘আমরা যুক্তরাষ্ট্রে টেলি মার্কেটিং সাফল্যজনকভাবে করে চলেছি। ২০ আসন বিশিষ্ট্য কলসেন্টার স্থাপনে আমাদের ৩০-৩৫ লাখ টাকা ব্যয় করতে হয়েছে। শুধু মাত্র সফটওয়্যার এবং সার্ভার ক্রয়ের ক্ষেত্রেই ব্যয় হয়েছে ১০ লাখ টাকা। সেই সাথে আইপিএলসি লাইন নিতে প্রয়োজন হয় ৩-৪ লাখ টাকা। ফলে কলসেন্টার স্থাপনের যে ব্যয় তা অনেক লাইসেন্স গ্রহণকারী প্রতিষ্ঠানের পক্ষেই বহন করা সম্ভব না হওয়ায় বাংলাদেশে কলসেন্টার শিল্প গড়ে উঠতে দেরি হচ্ছে। হাইটেক স্যাটেলাইটের প্রেসিডেন্ট যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী প্রকৌশলী মাহফুজুল হক বাংলাদেশে হাইটেক আইটি সলিউশন প্রতিষ্ঠা করেছেন। আমাদের প্রতিষ্ঠান হাইটেক স্যাটেলাইটের যুক্তরাষ্ট্রে ডিশ টিভি এবং ডিরেক্ট টিভির সেবা প্রদানের ব্যবসা পরিচালনার সুবাদে আমরা বাংলাদেশ থেকেই কলসেন্টারের মাধ্যমে এই বিষয়ে সাফল্যের সাথে টেলিমার্কেটিং করে চলেছি। সেই সাথে অস্ট্রেলিয়াতে বিভিন্ন ধরনের টেলিমার্কেটিং সেবা প্রদান করে চলেছি যার মধ্যে রয়েছে বিভিন্ন ধরনের ওয়েব নির্ভর সেবা এবং বাংলাদেশের রিয়েল এস্টেট ব্যবসা সংক্রান্ত। আমাদের কাজের চাহিদার তুলনায় কলসেন্টার পরিচালনার ক্ষেত্রে সবচেয়ে বড় বাধা হিসেবে দক্ষ জনবল এবং বিদ্যুত সমস্যা উল্লেখযোগ্য। বাংলাদেশের পরিপ্রেক্ষিতে উচ্চমূল্যের বেতন প্রদানে আমরা সম্মত হলেও ইংরেজি ভাষাতে দক্ষ কলসেন্টার কর্মী প্রয়োজন অনুযায়ী নিয়োগ প্রদান করা সম্ভব হচ্ছে না। সেই সাথে টেলিমার্কেটিংয়ে মেয়েদের অগ্রাধিকার থাকলেও ইউরোপ আমেরিকার সাথে বাংলাদেশের সময় পার্থক্যের কারণে সাধারণত রাতের শিফটে বাংলাদেশের সামাজিক পরিপ্রেক্ষিতে মেয়েদের কাজের প্রতি অনাগ্রহ রয়েছে।’ বাংলাদেশে কলসেন্টার চালু করা অন্যতম প্রতিষ্ঠান ওয়ান কলের কলসেন্টার সুপারভাইজার মিথিলা তাদের কলসেন্টার সম্পর্কে বলেন, ‘কলসেন্টার শিল্পে দ্রুত উন্নতির জন্য এখাতে গণসচেতনতা বৃদ্ধি, কলসেন্টার লাইসেন্স প্রদানে আরও যুগোপযোগী নীতিমালা প্রণয়ন, বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে কলসেন্টার বিষয়ে শর্ট কোর্স চালু, ইংরেজিতে কথা বলতে দক্ষতা বৃদ্ধি, কলসেন্টার ভিত্তিক বিশেষ জোন গড়ে তোলা এবং কলসেন্টারের জন্য প্রয়োজনীয় সকল বিষয় নিশ্চিত করে একজন উদ্যোক্তার কলসেন্টার চালু করা উচিত।’ যদিও কলসেন্টার শিল্পে প্রবেশের লাইসেন্স গ্রহণকারী অনেক প্রতিষ্ঠানসমূহের রয়েছে বিরূপ প্রতিক্রিয়া। নাম প্রকাশ না করার শর্তে কলসেন্টার লাইসেন্স গ্রহণকারী একটি প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা বলেন, ‘কলসেন্টার স্থাপনের লক্ষ্যে ১০ আসনের কলসেন্টার স্থাপন করার পরেও বায়ার সমস্যা এবং ইংরেজি ভাষাতে দক্ষ জনবলের অভাবের কারণে আমরা কলসেন্টার চালু করলেও বন্ধ করে দিতে বাধ্য হয়েছি অব্যাহত লোকসানের কারণে। কেননা, কার্যকরী কমিউনিকেশন নেটওয়ার্ককে কলসেন্টারের মূল হিসেবে বিবেচনা করা হয়ে থাকে। এক্ষেত্রে দক্ষ কলসেন্টার কর্মীর অভাবে বায়ারদের চাহিদা অনুযায়ী টেলিমার্কেটিং করা অনেক ক্ষেত্রেই সম্ভবপর না হওয়ায় বায়াররা অন্য দেশের কলসেন্টার প্রতিষ্ঠানকে সেই কাজ প্রদান করে থাকে।’<br />
বিশ্বের বিভিন্ন দেশের তুলনায় দেরিতে বাংলাদেশে কলসেন্টার লাইসেন্স প্রদান করা হলেও এখনো কলসেন্টার শিল্পে বাংলাদেশের সম্ভাবনা শেষ হয়ে যায়নি বলে মনে করছেন তথ্যপ্রযুক্তি বিশেষজ্ঞরা। যদিও বাংলাদেশে অনেক মানুষই এই শিল্প সম্বন্ধে বিস্তারিত কারিগরী জ্ঞান ব্যতিরেকে কলসেন্টার লাইসেন্স গ্রহণ করার কারণে কলসেন্টার চালু করতে ব্যর্থ হয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে।<br />
বাংলাদেশের অবস্থান কলসেন্টার শিল্পে প্রতিষ্ঠিত করতে হলে তথ্যপ্রযুক্তি বিশেষজ্ঞদের মতে নিম্নোক্ত বিষয়াদি নিশ্চিত করা প্রয়োজন।<br />
নিরবিচ্ছিন্ন বিদ্যুত সেবা<br />
কলসেন্টারের কার্যক্রম যেহেতু ক্লায়েন্ট ভিত্তিক হয়ে থাকে সেহেতু এই সেবা পরিচালনার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হিসেবে বিবেচনা করা হয়ে থাকে নিরবিচ্ছিন্ন বিদ্যুত সেবা প্রাপ্তির বিষয়টি। কেননা, টেলিমার্কেটিং কাজে নিয়োজিত একজন কলসেন্টার কর্মী যখন বিশ্বের অন্য প্রান্তে অবস্থানকারী ব্যক্তির সাথে কথোপকথনে নিয়োজিত থাকে তখন যদি বিদ্যুত চলে যায় তবে ব্যবসায়িক চুক্তি ভঙ্গ হওয়ার কারণে বায়াররা সেই প্রতিষ্ঠান হতে কাজ সমূহ অন্যত্র প্রদান করে থাকে। ফলে কলসেন্টার শিল্পে কাজের অর্ডারসমূহ নিশ্চিত করতে প্রয়োজন নিরবিচ্ছিন্ন বিদ্যুত সেবার নিশ্চয়তা। এক্ষেত্রে সরকারের উচিত ইনকিউবেটর অথবা হাইটেক পার্কে কলসেন্টার পরিচালনাকারী প্রতিষ্ঠানসমূহকে জায়গা বরাদ্দ দেওয়ার মাধ্যমে নিরবিচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সেবা নিশ্চিতকরণ।<br />
ইন্টারনেট ভিত্তিক অবকাঠামোর মানউন্নয়ন<br />
বাংলাদেশে কলসেন্টার স্থাপনের লক্ষ্যে ব্যান্ডউইডথ চার্জ বর্তমানের তুলনায় আরো স্বল্পমূল্যে প্রদান করতে হবে এবং নিরবিচ্ছিন্ন ইন্টারনেট সেবা প্রদানের লক্ষ্যে কাজ করে যেতে হবে। ইতোপূর্বে বার বার সাবমেরিন ক্যাবলে ফাইবার অপটিক নেটওয়ার্কের নিরাপত্তা বিঘিœত হওয়ার মাধ্যমে সারাদেশে ইন্টারনেট সংযোগ বিচ্ছিন্ন হওয়ায় ভবিষ্যতে সাবমেরিন ক্যাবলের ফাইবার অপটিক নেটওয়ার্কের নিরাপত্তা যথাযথভাবে নিশ্চিত করতে হবে।<br />
ব্যাংক ঋণ<br />
কলসেন্টার স্থাপনের অবকাঠামোগত ব্যয় অত্যাধিক হওয়ায় ক্ষুদ্র এবং মাঝারি পর্যায়ে কলসেন্টার স্থাপনের লক্ষ্যে উদ্যোক্তাদের সহজ শর্তে ব্যাংক ঋণ প্রদানের ব্যবস্থা করতে হবে। এক্ষেত্রে সাধারণ শিল্প স্থাপনের ন্যায় নিয়মের বেড়াজালে তথ্যপ্রযুক্তি নির্ভর কলসেন্টার শিল্পকে মূল্যায়িত করলে তা হবে এই শিল্পের জন্য ক্ষতির কারণ।<br />
সঠিক পরিকল্পনা প্রণয়ন এবং বাস্তবায়নের মাধ্যমেই দেশের কলসেন্টার স্থাপনের মাধ্যমে দেশের অর্থনীতিকে সমৃদ্ধ করা সম্ভব। সরকারের সহযোগিতা এক্ষেত্রে সর্বাপেক্ষা ভূমিকা রাখতে সক্ষম।<br />
ইশতিয়াক মাহমুদ<br />
দৈনিক ইত্তেফাক, ৫ সেপ্টেম্বর ২০০৯<br />
ছবির সৌজন্যে : কম্পিউটার সোর্সদ্রুত পরিবর্তনশীল তথ্যপ্রযুক্তি শিল্পে বাংলাদেশের অবস্থান ধীরে ধীরে সুসংহত অবস্থায় উপনীত হলেও অবকাঠামোগত দূর্বলতা এবং যথাযথ প্রযুক্তি নির্ভর জ্ঞানের অভাবে সম্ভাবনাময় কলসেন্টার শিল্পে বাংলাদেশের বর্তমান অবস্থান আশাপ্রদ নয়। ব্যাপক আগ্রহ এবং ঢাকঢোল পিটিয়ে কলসেন্টার শিল্পে বাংলাদেশের প্রবেশ এক বছরেরও বেশি সময় ধরে অতিবাহিত হলেও কলসেন্টার শিল্পে বাংলাদেশের অবস্থান বর্তমানে খুবই স্বল্প পরিসরে। উন্নত বিশ্বের পাশাপাশি উন্নয়নশীল বিভিন্ন দেশসমূহে কলসেন্টার শিল্পে যখন নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করতে সক্ষম হয়েছে তখন বাংলাদেশের কলসেন্টার শিল্পে অগ্রগতি আশাব্যঞ্জক নয়। অনেক দেরি হলেও বাংলাদেশ কলসেন্টার শিল্পে প্রবেশ করায় বিশেষজ্ঞরা ধারণা করেছিলেন কলসেন্টার শিল্পে অচিরেই বাংলাদেশের অবস্থান সন্তোষজনক অবস্থায় উপনীত হবে। কিন্তু সত্যিকার অর্থে কলসেন্টার প্রতিষ্ঠা করা বাংলাদেশের বর্তমান প্রেক্ষিতে কতটা কার্যকর এই বিষয়ে এখনও তেমন সুস্পষ্ট ধারণা অর্জন করতে পারেনি আগ্রহী অনেক ব্যক্তি।<br />
এই কলসেন্টার স্থাপনের মাধ্যমে প্রচুর বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করা সম্ভব বলে জোরগলায় বলা হলেও আমাদের দেশের দুর্বল প্রযুক্তিগত অবকাঠামো এই ব্যবসার ক্ষেত্রে কতটুকু সহায়ক এই বিষয়টি নিয়ে চিন্তিত দেশের তথ্যপ্রযুক্তি সংশ্লিষ্ট সকল ব্যক্তি। কেননা গত বছর লাইসেন্স প্রদান করা হলেও তিনটি ক্যাটাগরিতে প্রাপ্ত লাইসেন্সের শর্তানুযায়ী প্রতিটি প্রতিষ্ঠানকে ছয় মাসের মধ্যে কার্যক্রম শুরু করতে শর্ত প্রদান করা হলেও অনেক প্রতিষ্ঠানই পরবর্তী পর্যায়ে সময় বৃদ্ধির আবেদন করেছে। কলসেন্টার লাইসেন্স গ্রহণকারী অনেক প্রতিষ্ঠানেরই কলসেন্টার শিল্পসংশ্লিষ্ট বিশদ জ্ঞান না থাকায় প্রাথমিকভাবেই বিপর্যয়ের সম্মুখীন। সেই সাথে এখন পর্যন্ত বাংলাদেশে ইন্টারনেট ভিত্তিক দুর্বল অবকাঠামো বিষয়টিকে করে তুলেছে জটিল অবস্থায়। কেননা, উচ্চমূল্যের বিনিময়ে এখন পর্যন্ত বাংলাদেশে যে পরিমাণ ইন্টারনেটের গতি নিশ্চিত করা সম্ভব হয় তা নিরবিচ্ছিন্ন নয়। বিশেষ করে বিদেশের ক্লায়েন্ট নির্ভর এই কলসেন্টার শিল্পে নিরবিচ্ছিন্ন ইন্টারনেট সেবা খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয় হিসেবে বিবেচিত হয়ে থাকে। সেই সাথে নিরবিচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহের বিষয়টি বর্তমানে কলসেন্টার স্থাপনের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। কেননা, সার্বক্ষণিক বিদ্যুৎ সরবরাহ ব্যতিত কলসেন্টার বাস্তবায়ন করা সম্ভব নয় বলে জানিয়েছেন কলসেন্টার শিল্প সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গ। জেনারেটর ব্যবহারের মাধ্যমে বিদ্যুৎ সমস্যার সমাধানের উদ্যোগ প্রতিষ্ঠান পর্যায়ে গ্রহণ করা হলেও সাম্প্রতিক সময়ে জ্বালানী তেলের উচ্চমূল্য বিষয়টি করে তুলেছে ব্যয়বহুল।<br />
সেই সাথে একটি বিষয়ে কলসেন্টার শিল্পের সাথে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গের মনে রাখা উচিত, কলসেন্টার ব্যবসাতে বাংলাদেশের সম্ভাবনা রয়েছে কথাটি কিন্তু সত্যি। কিন্তু তার জন্য শুধু যে লাইসেন্স গ্রহণ করে কলসেন্টার প্রতিষ্ঠা করলেই হবে তা নয়। আউটসোর্সিং-এ নিজেদের অবস্থান কেমন হবে সে সম্পর্কে পূর্বেই সুস্পষ্ট জ্ঞান অর্জন করা প্রয়োজন। কেননা এই শিল্পে যেমন বিপুল পরিমান অর্থ আয় করার সুযোগ রয়েছে তেমনি এই কলসেন্টার ব্যবসা কিন্তু খুবই নাজুক ব্যবসা হিসেবে পরিচিত। সামান্যতম সেবার ত্রুটি বিচ্যুতি এই ব্যবসাতে বিপর্যয় ডেকে আনতে পারে। তাই সচেতনভাবে নিজেদেরকে পূর্ণাঙ্গ প্রস্তুত করে এই ব্যবসাতে বিনিয়োগ করা উচিত। সেই সাথে কলসেন্টার ব্যবসা সম্পর্কে পূর্ণাঙ্গ ধারণা অর্জন করতে হয়।<br />
কিন্তু বাংলাদেশের পরিপ্রেক্ষিতে ঘটেছে উল্টো ঘটনা। আমাদের বাংলাদেশে যে কোন নতুন প্রযুক্তি প্রবেশের সময় বেশ হৈচৈ হয়ে থাকে। পরবর্তী সময়ে দেখা যায় সে বিষয়টি ধীরে ধীরে কোন ভূমিকা রাখতে সক্ষম হয়ে উঠে না। পূর্বে অনেক ক্ষেত্রেই বিষয়টি হয়ে থাকায় অনেকের মধ্যেই সন্দেহের সৃষ্টি হয়েছে তুমুল আলোচিত কলসেন্টার-এর ক্ষেত্রে বিষয়টি কোন অবস্থানে রয়েছে। প্রাথমিক অবস্থায় অনেক ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানই কলসেন্টার বিষয়ে আগ্রহ প্রকাশ করলেও মাত্র ৪শত প্রতিষ্ঠানের কলসেন্টার লাইসেন্স গ্রহণ কলসেন্টার শিল্পে বাংলাদেশের মন্থর সূচনা বলে অনেকেই মনে করছে। তিনটি ক্যাটাগরিতে লাইসেন্স প্রাপ্ত এই প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে কলসেন্টার লাইসেন্স গ্রহণ করেছে ২৯২টি, হোস্টেড কলসেন্টার লাইসেন্স গ্রহণ করেছে ৬৪টি এবং হোস্টেড কলসেন্টার সার্ভিস প্রোভাইডার লাইসেন্স গ্রহণ করেছে ৫১টি প্রতিষ্ঠান।<br />
বাংলাদেশ টেলিকমিউনিকেশন রেগুলেটরি কমিশন (বিটিআরসি) মাত্র পাঁচ হাজার টাকায় কলসেন্টার লাইসেন্স প্রদান করায় যথাযথ প্রযুক্তি জ্ঞান বিহীন বিভিন্ন ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান কলসেন্টার লাইসেন্স গ্রহণ করে। প্রায় ৪শত উদ্যোক্তাকে কলসেন্টার স্থাপনের লাইসেন্স প্রদান করা হলেও বর্তমানে বাংলাদেশে মাত্র ৩০-৩৫টি কলসেন্টার কার্যক্রম শুরু করতে সক্ষম হয়েছে। কিন্তু প্রযুক্তিগত জ্ঞানের অভাব এবং নানাবিধ জটিলতার কারণে ইতোমধ্যে ২৬টি কলসেন্টার লাইসেন্স প্রাপ্ত প্রতিষ্ঠান কলসেন্টার প্রতিষ্ঠা করতে ব্যর্থ হওয়ায় তাদের লাইসেন্স বিটিআরসি’র নিকট ফিরিয়ে দিয়েছে। যার মধ্যে রয়েছে কলসেন্টার লাইসেন্স প্রাপ্ত ১০টি প্রতিষ্ঠান, হোস্টেড কলসেন্টার লাইসেন্স প্রাপ্ত ৮টি প্রতিষ্ঠান এবং হোস্টেড কলসেন্টার সার্ভিস প্রোভাইডার ৮টি প্রতিষ্ঠান। কেননা, যথাযথ প্রযুক্তি জ্ঞান এবং অবকাঠামোগত উন্নয়ন ব্যয়বহুল হওয়ায় কলসেন্টার শিল্পে বাংলাদেশের অবস্থান সন্তোষজনক ভূমিকা রাখতে ব্যর্থ হয়ে চলেছে। এর অন্যতম কারণ হিসেবে বিবেচনা হচ্ছে আমাদের দেশে এখনো দুর্বল অবকাঠামোর বিষয়টিকে। ইন্টারনেটের ব্যবহারের উচ্চমূল্য এবং ঘনঘন সংযোগ বিচ্যুতির ঘটনা কলসেন্টার ব্যবসাতে বিরূপ প্রভাব ফেলে থাকে। কেননা উন্নত বিশ্ব হতে আউটসোর্সিং-এর মাধ্যমে আনিত কাজ সময় মতো শেষ করতে না পারলে কলসেন্টার খাতে কাজের অর্ডারই বাতিল হয়ে যায়। ফলে কলসেন্টার খাতে ব্যবসা পরিচালনা করা দূরূহ হয়ে থাকে।<br />
কলসেন্টার লাইসেন্স প্রদানের সময় বলা হয়েছিল ২০০৯ সালের মধ্যে সারাবিশ্বে কলসেন্টার ব্যবসার পরিমাণ দাঁড়াবে ৬৪০ বিলিয়ন ইউএস ডলার। প্রাথমিক অবস্থায় বাংলাদেশ যদি এর এক শতাংশ বাজার নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নিতে সক্ষম হয় তবে প্রতি বছর বাংলাদেশে শুধু কলসেন্টারের মাধ্যমেই অন্তত ছয় বিলিয়ন ইউএস ডলার আয় করা সম্ভব যা বাংলাদেশী মুদ্রায় ৪০ হাজার কোটি টাকারও বেশি। ফলে বাংলাদেশের বর্তমান রিজার্ভ-এর চেয়ে বেশি পরিমাণ অর্থ প্রতি বছর আয় করা সম্ভব হবে। কিন্তু বর্তমান কলসেন্টার শিল্পে বাংলাদেশের অবস্থান এই সম্ভাবনাকে বাস্তবে রূপ দেওয়ার ক্ষেত্রে অনেক দূরে অবস্থান করছে। বাংলাদেশে কলসেন্টার চালু করা প্রতিষ্ঠান সমূহের মধ্যে স্মার্ট টেকনোলজিস অন্যতম। স্মার্ট টেকনোলজিস-এর জেনারেল ম্যানেজার মোঃ তৈয়ব উল্লাহ বলেন, ‘প্রায় ৮ মাস আগে লাইসেন্স গ্রহণ করার মাধ্যমে আমাদের ২৫ সিটের কলসেন্টার স্থাপন কার্যক্রম শুরু করা হয়। এক মাস আগে চালু করা হয়েছে আমাদের কলসেন্টার। যদিও প্রাথমিক অবস্থায় শুধু দিনের বেলা ১০ জন কলসেন্টার কর্মীর মাধ্যমে আমরা কলসেন্টার সেবা প্রদান করে চলেছি। আমাদের ক্লায়েন্ট মূলত দুবাই ভিত্তিক। আমরা দুবাই’তে বিশ্বখ্যাত প্রযুক্তি পণ্য নির্মাতা টুইনমস এর সকল পণ্য সংশ্লিষ্ট সেবা প্রদান করে চলেছি। এই সেবা প্রদানে আমাদের কলসেন্টারে বর্তমানে রয়েছে ৮জন ইংরেজি মাধ্যম থেকে পাসকৃত ব্যক্তি। প্রাথমিক অবস্থায় ই-ওয়ান সংযোগ না থাকলেও বর্তমানে তা চালু রয়েছে। যদিও আমরা বর্তমানে আইপি দিয়ে কলসেন্টার সেবা পরিচালনা করছি। আমি মনে করি আমাদের পার্শ্ববর্তী দেশ ভারতের কলসেন্টার শিল্পের অনুরূপ বাংলাদেশে কলসেন্টার শিল্পের উজ্জ্বল সম্ভাবনা রয়েছে। যদিও কলসেন্টার প্রতিষ্ঠার অন্যতম প্রতিবন্ধকতা হিসেবে কলসেন্টার সংশ্লিষ্ট কারিগরি দক্ষ লোকবলের অভাব রয়েছে বাংলাদেশে। সেই সাথে বিদ্যুত আসা যাওয়ার সমস্যা, ইংরেজি ভাষাতে দক্ষ কলসেন্টার কর্মীর অভাব এবং বায়ার খুঁজে পাওয়ার জটিলতা এক্ষেত্রে কলসেন্টার কার্যক্রম পরিচালনায় জটিলতা তৈরি করে থাকে। কলসেন্টার পরিচালনায় বাংলাদেশ সফল না ব্যর্থ হবে তা বলার সময় এখনো আসেনি বলে আমি মনে করি।’ একই ধরনের মন্তব্য করেছেন কলসেন্টার চালু করা হাইটেক আইটি সলিউশন’র সিইও এ কে এম ফজলুল হক খোকন। তিনি বলেন, ‘আমরা যুক্তরাষ্ট্রে টেলি মার্কেটিং সাফল্যজনকভাবে করে চলেছি। ২০ আসন বিশিষ্ট্য কলসেন্টার স্থাপনে আমাদের ৩০-৩৫ লাখ টাকা ব্যয় করতে হয়েছে। শুধু মাত্র সফটওয়্যার এবং সার্ভার ক্রয়ের ক্ষেত্রেই ব্যয় হয়েছে ১০ লাখ টাকা। সেই সাথে আইপিএলসি লাইন নিতে প্রয়োজন হয় ৩-৪ লাখ টাকা। ফলে কলসেন্টার স্থাপনের যে ব্যয় তা অনেক লাইসেন্স গ্রহণকারী প্রতিষ্ঠানের পক্ষেই বহন করা সম্ভব না হওয়ায় বাংলাদেশে কলসেন্টার শিল্প গড়ে উঠতে দেরি হচ্ছে। হাইটেক স্যাটেলাইটের প্রেসিডেন্ট যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী প্রকৌশলী মাহফুজুল হক বাংলাদেশে হাইটেক আইটি সলিউশন প্রতিষ্ঠা করেছেন। আমাদের প্রতিষ্ঠান হাইটেক স্যাটেলাইটের যুক্তরাষ্ট্রে ডিশ টিভি এবং ডিরেক্ট টিভির সেবা প্রদানের ব্যবসা পরিচালনার সুবাদে আমরা বাংলাদেশ থেকেই কলসেন্টারের মাধ্যমে এই বিষয়ে সাফল্যের সাথে টেলিমার্কেটিং করে চলেছি। সেই সাথে অস্ট্রেলিয়াতে বিভিন্ন ধরনের টেলিমার্কেটিং সেবা প্রদান করে চলেছি যার মধ্যে রয়েছে বিভিন্ন ধরনের ওয়েব নির্ভর সেবা এবং বাংলাদেশের রিয়েল এস্টেট ব্যবসা সংক্রান্ত। আমাদের কাজের চাহিদার তুলনায় কলসেন্টার পরিচালনার ক্ষেত্রে সবচেয়ে বড় বাধা হিসেবে দক্ষ জনবল এবং বিদ্যুত সমস্যা উল্লেখযোগ্য। বাংলাদেশের পরিপ্রেক্ষিতে উচ্চমূল্যের বেতন প্রদানে আমরা সম্মত হলেও ইংরেজি ভাষাতে দক্ষ কলসেন্টার কর্মী প্রয়োজন অনুযায়ী নিয়োগ প্রদান করা সম্ভব হচ্ছে না। সেই সাথে টেলিমার্কেটিংয়ে মেয়েদের অগ্রাধিকার থাকলেও ইউরোপ আমেরিকার সাথে বাংলাদেশের সময় পার্থক্যের কারণে সাধারণত রাতের শিফটে বাংলাদেশের সামাজিক পরিপ্রেক্ষিতে মেয়েদের কাজের প্রতি অনাগ্রহ রয়েছে।’ বাংলাদেশে কলসেন্টার চালু করা অন্যতম প্রতিষ্ঠান ওয়ান কলের কলসেন্টার সুপারভাইজার মিথিলা তাদের কলসেন্টার সম্পর্কে বলেন, ‘কলসেন্টার শিল্পে দ্রুত উন্নতির জন্য এখাতে গণসচেতনতা বৃদ্ধি, কলসেন্টার লাইসেন্স প্রদানে আরও যুগোপযোগী নীতিমালা প্রণয়ন, বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে কলসেন্টার বিষয়ে শর্ট কোর্স চালু, ইংরেজিতে কথা বলতে দক্ষতা বৃদ্ধি, কলসেন্টার ভিত্তিক বিশেষ জোন গড়ে তোলা এবং কলসেন্টারের জন্য প্রয়োজনীয় সকল বিষয় নিশ্চিত করে একজন উদ্যোক্তার কলসেন্টার চালু করা উচিত।’ যদিও কলসেন্টার শিল্পে প্রবেশের লাইসেন্স গ্রহণকারী অনেক প্রতিষ্ঠানসমূহের রয়েছে বিরূপ প্রতিক্রিয়া। নাম প্রকাশ না করার শর্তে কলসেন্টার লাইসেন্স গ্রহণকারী একটি প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা বলেন, ‘কলসেন্টার স্থাপনের লক্ষ্যে ১০ আসনের কলসেন্টার স্থাপন করার পরেও বায়ার সমস্যা এবং ইংরেজি ভাষাতে দক্ষ জনবলের অভাবের কারণে আমরা কলসেন্টার চালু করলেও বন্ধ করে দিতে বাধ্য হয়েছি অব্যাহত লোকসানের কারণে। কেননা, কার্যকরী কমিউনিকেশন নেটওয়ার্ককে কলসেন্টারের মূল হিসেবে বিবেচনা করা হয়ে থাকে। এক্ষেত্রে দক্ষ কলসেন্টার কর্মীর অভাবে বায়ারদের চাহিদা অনুযায়ী টেলিমার্কেটিং করা অনেক ক্ষেত্রেই সম্ভবপর না হওয়ায় বায়াররা অন্য দেশের কলসেন্টার প্রতিষ্ঠানকে সেই কাজ প্রদান করে থাকে।’<br />
বিশ্বের বিভিন্ন দেশের তুলনায় দেরিতে বাংলাদেশে কলসেন্টার লাইসেন্স প্রদান করা হলেও এখনো কলসেন্টার শিল্পে বাংলাদেশের সম্ভাবনা শেষ হয়ে যায়নি বলে মনে করছেন তথ্যপ্রযুক্তি বিশেষজ্ঞরা। যদিও বাংলাদেশে অনেক মানুষই এই শিল্প সম্বন্ধে বিস্তারিত কারিগরী জ্ঞান ব্যতিরেকে কলসেন্টার লাইসেন্স গ্রহণ করার কারণে কলসেন্টার চালু করতে ব্যর্থ হয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে।<br />
বাংলাদেশের অবস্থান কলসেন্টার শিল্পে প্রতিষ্ঠিত করতে হলে তথ্যপ্রযুক্তি বিশেষজ্ঞদের মতে নিম্নোক্ত বিষয়াদি নিশ্চিত করা প্রয়োজন।<br />
নিরবিচ্ছিন্ন বিদ্যুত সেবা<br />
কলসেন্টারের কার্যক্রম যেহেতু ক্লায়েন্ট ভিত্তিক হয়ে থাকে সেহেতু এই সেবা পরিচালনার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হিসেবে বিবেচনা করা হয়ে থাকে নিরবিচ্ছিন্ন বিদ্যুত সেবা প্রাপ্তির বিষয়টি। কেননা, টেলিমার্কেটিং কাজে নিয়োজিত একজন কলসেন্টার কর্মী যখন বিশ্বের অন্য প্রান্তে অবস্থানকারী ব্যক্তির সাথে কথোপকথনে নিয়োজিত থাকে তখন যদি বিদ্যুত চলে যায় তবে ব্যবসায়িক চুক্তি ভঙ্গ হওয়ার কারণে বায়াররা সেই প্রতিষ্ঠান হতে কাজ সমূহ অন্যত্র প্রদান করে থাকে। ফলে কলসেন্টার শিল্পে কাজের অর্ডারসমূহ নিশ্চিত করতে প্রয়োজন নিরবিচ্ছিন্ন বিদ্যুত সেবার নিশ্চয়তা। এক্ষেত্রে সরকারের উচিত ইনকিউবেটর অথবা হাইটেক পার্কে কলসেন্টার পরিচালনাকারী প্রতিষ্ঠানসমূহকে জায়গা বরাদ্দ দেওয়ার মাধ্যমে নিরবিচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সেবা নিশ্চিতকরণ।<br />
ইন্টারনেট ভিত্তিক অবকাঠামোর মানউন্নয়ন<br />
বাংলাদেশে কলসেন্টার স্থাপনের লক্ষ্যে ব্যান্ডউইডথ চার্জ বর্তমানের তুলনায় আরো স্বল্পমূল্যে প্রদান করতে হবে এবং নিরবিচ্ছিন্ন ইন্টারনেট সেবা প্রদানের লক্ষ্যে কাজ করে যেতে হবে। ইতোপূর্বে বার বার সাবমেরিন ক্যাবলে ফাইবার অপটিক নেটওয়ার্কের নিরাপত্তা বিঘিœত হওয়ার মাধ্যমে সারাদেশে ইন্টারনেট সংযোগ বিচ্ছিন্ন হওয়ায় ভবিষ্যতে সাবমেরিন ক্যাবলের ফাইবার অপটিক নেটওয়ার্কের নিরাপত্তা যথাযথভাবে নিশ্চিত করতে হবে।<br />
ব্যাংক ঋণ<br />
কলসেন্টার স্থাপনের অবকাঠামোগত ব্যয় অত্যাধিক হওয়ায় ক্ষুদ্র এবং মাঝারি পর্যায়ে কলসেন্টার স্থাপনের লক্ষ্যে উদ্যোক্তাদের সহজ শর্তে ব্যাংক ঋণ প্রদানের ব্যবস্থা করতে হবে। এক্ষেত্রে সাধারণ শিল্প স্থাপনের ন্যায় নিয়মের বেড়াজালে তথ্যপ্রযুক্তি নির্ভর কলসেন্টার শিল্পকে মূল্যায়িত করলে তা হবে এই শিল্পের জন্য ক্ষতির কারণ।<br />
সঠিক পরিকল্পনা প্রণয়ন এবং বাস্তবায়নের মাধ্যমেই দেশের কলসেন্টার স্থাপনের মাধ্যমে দেশের অর্থনীতিকে সমৃদ্ধ করা সম্ভব। সরকারের সহযোগিতা এক্ষেত্রে সর্বাপেক্ষা ভূমিকা রাখতে সক্ষম।<br />
ইশতিয়াক মাহমুদ<br />
দৈনিক ইত্তেফাক, ৫ সেপ্টেম্বর ২০০৯<br />
ছবির সৌজন্যে : কম্পিউটার সোর্স</div>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://omi.net.bd/454/feed</wfw:commentRss>
		<slash:comments>4</slash:comments>
		</item>
		<item>
		<title>যানজোট কমাতে স্কুলের সময় পরিবর্তন না করে স্কুলবাস বাধ্যতামূলক করলে কাজ বেশী হতে পারে</title>
		<link>http://omi.net.bd/449</link>
		<comments>http://omi.net.bd/449#comments</comments>
		<pubDate>Sat, 05 Sep 2009 06:44:18 +0000</pubDate>
		<dc:creator>Omi Azad</dc:creator>
				<category><![CDATA[পরামর্শ]]></category>
		<category><![CDATA[বাংলাদেশ]]></category>
		<category><![CDATA[মন্তব্য]]></category>
		<category><![CDATA[কলেজ]]></category>
		<category><![CDATA[ঢাকা]]></category>
		<category><![CDATA[বাস]]></category>
		<category><![CDATA[বিশ্ববিদ্যালয়]]></category>
		<category><![CDATA[যানজোট]]></category>
		<category><![CDATA[স্কুল]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://omi.net.bd/?p=449</guid>
		<description><![CDATA[পত্রপত্রিকায় দেখছি সরকার যানজোট কমানোর জন্য অফিস আদালত এবং স্কুল কলেজের সময়সূচী পরিবর্তনের বিষয়টা পর্যবেক্ষণ করছেন। আমার কাছে বিষয়টা অযৌক্তিক মনে হচ্ছে। এভাবে যানজোট কমবে কি-না, তবে বিভ্রান্তি সৃষ্টি হবে বেশী। আমার কাছে মনে হয় বেসরকারী স্কুলগুলি ঢাকা শহরে যানজোট সৃষ্টি করার পেছনে একটা বিশাল ভুমিকা পালন করছে। বিশেষ করে ইংরেজী মাধ্যমের স্কুলগুলি। ইংরেজি মাধ্যমের [...]]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p><img class="alignleft" title="স্কুল বাস" src="http://farm3.static.flickr.com/2500/3889243448_01195e4666_o.jpg" alt="" width="250" height="237" />পত্রপত্রিকায় দেখছি সরকার যানজোট কমানোর জন্য অফিস আদালত এবং স্কুল কলেজের সময়সূচী পরিবর্তনের বিষয়টা পর্যবেক্ষণ করছেন। আমার কাছে বিষয়টা অযৌক্তিক মনে হচ্ছে। এভাবে যানজোট কমবে কি-না, তবে বিভ্রান্তি সৃষ্টি হবে বেশী।</p>
<p>আমার কাছে মনে হয় বেসরকারী স্কুলগুলি ঢাকা শহরে যানজোট সৃষ্টি করার পেছনে একটা বিশাল ভুমিকা পালন করছে। বিশেষ করে ইংরেজী মাধ্যমের স্কুলগুলি। ইংরেজি মাধ্যমের স্কুলগুলিতে অপেক্ষাকৃত উচ্চবিত্তদের সন্তানেরা লেখাপড়া করে। লেখাপড়া করুক এতে সমস্যা নাই, বাবা-মা অর্থ উপার্জন করেই সন্তানদের ভালো ভবিষ্যত তৈরী করার জন্য, ইংরেজি মাধ্যমে লেখাপড়া করে যদি ভবিষ্যত উজ্জ্বল হয় তাহলে সমস্যা কি।</p>
<p>কিন্তু ঝামেলা অন্যখানে। যারা ঢাকা শহরে ইংরেজি মাধ্যমে সন্তানদের লেখাপড়া করান, তারা অন্য অবিভাবকদের যার যার টাকার পরিমান দেখানোর চেষ্টায় ব্যস্ত থাকেন। তার একটি পন্থা হলো দামী গাড়ী প্রদর্শন। কে কি গাড়ী চালান, সেটা দেখানোর কিন্তু তেমন কোনো উপায় নেই। তাই তারা দামী গাড়ী নিয়ে স্কুলে সন্তানদের রাখতে এবং নিতে যান। বিশাল এক হামার গাড়ী নিয়ে নার্সারি শ্রেণীতে পড়া ৫ বছর বয়সের সন্তানকে স্কুলে দিতে বা নিতে যাচ্ছেন অবিভাবকেরা। অনেকে আবার দিতে যান এক গাড়ীতে আবার নিতে যান অন্যটিতে।</p>
<p>একটা স্কুলে যদি ৫০০ ছাত্র/ছাত্রী থাকে, তাহলে তার সামনে এবং আশ পাশের রাস্তায় ৫০০টি গাড়ী বিরাজ করে। আবার ধরা যাক সকালের শিফটের শেষ আর দিনের শিফট শুরু, তাহলে ৫০০+৫০০=১০০০ গাড়ী ঐ এলাকায় বিরাজ করছে। আমার কথা পর্যবেক্ষণ করতে চাইলে ধানমন্ডি, গুলশান, উত্তরার ইংরেজি মাধ্যমের স্কুল পাড়ায় স্কুল শুরু/শেষ হবার সময় একবার ঘুরে আসুন।</p>
<p>কিন্তু এই স্কুলগুলিতে যদি গাড়ী নিষিদ্ধ করে দেয়া হয় আর তার পরিবর্তে স্কুল বাস চালু করা হয়, তাহলেই কিন্তু ল্যাটা চুকে যায়। বাধ্যতামূলক ছাত্র/ছাত্রী/শিক্ষক/শিক্ষিকাদের স্কুলের বাসে ভ্রমণ করতে হবে। স্কুল বাসের জন্য যদি কিছু টাকা বেশীও দিতে হয় তা কিন্তু জ্যামে বসে গাড়ীর তেল/গ্যাস পুড়ার খরচের চাইতে অনেক কম হবে।</p>
<p>কর্তৃপক্ষ বিষয়টি বিবেচনে করলে আশাকরি জ্বালানি সংরক্ষণ সহ ৩০-৪০% যানজোট নিরাসন করা সম্ভব হবে। শুধু স্কুলেই না, বেসরকারী বিশ্ববিদ্যায়গুলিতেও একই আইন কার্যকর করা উচিৎ।</p>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://omi.net.bd/449/feed</wfw:commentRss>
		<slash:comments>10</slash:comments>
		</item>
		<item>
		<title>এনটিভি’র সকল দর্শকই গাধা!</title>
		<link>http://omi.net.bd/418</link>
		<comments>http://omi.net.bd/418#comments</comments>
		<pubDate>Thu, 02 Jul 2009 10:05:06 +0000</pubDate>
		<dc:creator>Omi Azad</dc:creator>
				<category><![CDATA[বাংলাদেশ]]></category>
		<category><![CDATA[মজারু]]></category>
		<category><![CDATA[মন্তব্য]]></category>
		<category><![CDATA[Ad]]></category>
		<category><![CDATA[এনটিভি]]></category>
		<category><![CDATA[চ্যানেল]]></category>
		<category><![CDATA[জন্মদিন]]></category>
		<category><![CDATA[টিভি]]></category>
		<category><![CDATA[Birthday]]></category>
		<category><![CDATA[Channel]]></category>
		<category><![CDATA[NTV]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://omi.net.bd/?p=418</guid>
		<description><![CDATA[শাকিলা জাফর আর তপন চৌধুরী কে নিয়ে গানের অনুরোধের আসর চলছে, বিজ্ঞাপণ বিরতির পরে অনুষ্ঠানের ফিরে আসার সাথে সাথে পরিচালক উপস্থাপিকার চুলের নীচে লুকানো এয়ারফোনের মধ্যে ৬ বছর পুর্তির ঘোষণা দেবার নির্দেশ দিলেন। ঘোষণা শেষ হলো, শাকিলা জাফর আর তপন চৌধুরী Happy Birth Day গান করলেন এবং তার পরে একটা এনিমেশন এলো ৬ বছর পুর্তি [...]]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p><img class="alignleft" title="NTV Logo" src="http://farm3.static.flickr.com/2530/3682296270_c8dd71acda_o.jpg" alt="" width="130" height="90" />শাকিলা জাফর আর তপন চৌধুরী কে নিয়ে গানের অনুরোধের আসর চলছে, বিজ্ঞাপণ বিরতির পরে অনুষ্ঠানের ফিরে আসার সাথে সাথে পরিচালক উপস্থাপিকার চুলের নীচে লুকানো এয়ারফোনের মধ্যে ৬ বছর পুর্তির ঘোষণা দেবার নির্দেশ দিলেন। ঘোষণা শেষ হলো, শাকিলা জাফর আর তপন চৌধুরী Happy Birth Day গান করলেন এবং তার পরে একটা এনিমেশন এলো ৬ বছর পুর্তি উপলক্ষ্যে।</p>
<p>ঐ এনিমেশনে দেখানো হলো যে এক ব্যক্তি এন্টিনা হাতে নিয়ে একটা গাধার পিঠে বসে গাধার সামনে একটা টেলিভিশন ধরে আছে (গাধার সামনে মূলা ধরার মতন করে) আর সেটা অনুসরণ করে গাধা এগিয়ে যাচ্ছে।</p>
<p>এর অর্থ এই যে আমরা সবাই সেই গাধা আর পিঠের সেই বাহক হলো এনটিভি’র কলাকুশলীরা। এনিমেশনের সাথে কি সুন্দর সব মিলে যায় এই চ্যানেল এবং দর্শকের সম্পর্ক। গাধার সামনে মূলা ঝুলানোর মতন করে যেমন এনটিভি প্রদর্শিত হচ্ছে, ঠিক তেমনি আমাদের সামনে ভালো অনুষ্ঠান দেখাবার নাম করে (বা অনুষ্ঠানের সৌজন্যে বলা যেতে পারে) বিজ্ঞাপণ প্রচার করে যাচ্ছে। তারা যে আমাদের গাধা বানাতে সার্থক হয়েছে সেটা ঐ এনিমেশন দিয়ে প্রমাণ করলো!</p>
<p>হায় এনটিভি’র দর্শক, আমরা সবাই গাধা!</p>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://omi.net.bd/418/feed</wfw:commentRss>
		<slash:comments>15</slash:comments>
		</item>
		<item>
		<title>নতুন সময়ের সাথে উইন্ডোসের সময় নিজে থেকে পরিবর্তন হবে</title>
		<link>http://omi.net.bd/413</link>
		<comments>http://omi.net.bd/413#comments</comments>
		<pubDate>Thu, 18 Jun 2009 09:56:24 +0000</pubDate>
		<dc:creator>Omi Azad</dc:creator>
				<category><![CDATA[আইটি বিশ্ব]]></category>
		<category><![CDATA[উইন্ডোস]]></category>
		<category><![CDATA[বাংলাদেশ]]></category>
		<category><![CDATA[2003]]></category>
		<category><![CDATA[2008]]></category>
		<category><![CDATA[উইন্ডোজ]]></category>
		<category><![CDATA[এক্সপি]]></category>
		<category><![CDATA[টাইম]]></category>
		<category><![CDATA[ডেলইট]]></category>
		<category><![CDATA[ভিস্তা]]></category>
		<category><![CDATA[সময়]]></category>
		<category><![CDATA[সার্ভার]]></category>
		<category><![CDATA[Daylight]]></category>
		<category><![CDATA[Saving]]></category>
		<category><![CDATA[Server]]></category>
		<category><![CDATA[Time]]></category>
		<category><![CDATA[vista]]></category>
		<category><![CDATA[windows]]></category>
		<category><![CDATA[XP]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://omi.net.bd/?p=413</guid>
		<description><![CDATA[দিনের আলো সংরক্ষণ ও বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের জন্য কাল ১৯ জনু মধ্যরাত থেকে দেশে ঘড়ির কাঁটা এক ঘণ্টা এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে। অর্থাৎ ১৯ জুন যখন রাত ১১টা বাজবে ঘড়িতে, তখন আমরা ঘড়িকে এক ঘন্টা এগিয়ে নিয়ে যাবো, অর্থাৎ ১১টা সময় রাত বারোটা করে ফেলতে হবে। নতুন সময়সূচির সঙ্গে মাইক্রসফটের কম্পিউটার অপারেটিং সিস্টেমে ব্যবহৃত ঘড়ির সময়ও ঠিক [...]]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p><img class="alignleft" title="." src="http://farm3.static.flickr.com/2483/3637107535_4c2e0755b6_o.gif" alt="" width="300" height="282" />দিনের আলো সংরক্ষণ ও বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের জন্য কাল ১৯ জনু মধ্যরাত থেকে দেশে ঘড়ির কাঁটা এক ঘণ্টা এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে। অর্থাৎ ১৯ জুন যখন রাত ১১টা বাজবে ঘড়িতে, তখন আমরা ঘড়িকে এক ঘন্টা এগিয়ে নিয়ে যাবো, অর্থাৎ ১১টা সময় রাত বারোটা করে ফেলতে হবে।</p>
<p>নতুন সময়সূচির সঙ্গে মাইক্রসফটের কম্পিউটার অপারেটিং সিস্টেমে ব্যবহৃত ঘড়ির সময়ও ঠিক করে নিতে হবে। এ জন্য সমাধান দিয়েছে মাইক্রোসফট। মাইক্রোসফট বাংলাদেশের সহযোগিতায় এই সমাধানটি প্রদান করছে মাইক্রোসফট। যেই কম্পিউটারে উইন্ডোজ ভিসতা, উইন্ডোজ এক্সপি, উইন্ডোজ সার্ভার ২০০৮ এবং উইন্ডোজ সার্ভার ২০০৩ ব্যবহৃত হচ্ছে অপারেটিং সিস্টেম হিসেবে, সেসব কম্পিউটারে এ সমাধানটি কাজে লাগাবে।</p>
<p><img class="aligncenter" title="." src="http://farm4.static.flickr.com/3366/3637981468_6c032579a4_o.jpg" alt="" width="375" height="219" />সময়-সংক্রান্ত সমাধানটি পেতে <a href="http://download.microsoft.com/download/E/B/8/EB8FBC79-B36B-42C8-B2FC-627DBCB52E29/MicrosoftFixit50280.msi" target="_blank">এই ঠিকানা থেকে</a> ইনস্টলারটি ডাউনলোড করে ইনস্টল করতে হবে। এবার কন্ট্রোল প্যানেলে ডেট অ্যান্ড টাইম অপশনে গিয়ে Time Zone Settings-এ গিয়ে (GMT + 06.00) Astana, Dhaka-এর পরিবর্তে (GMT + 06.00) Dhaka নির্বাচন করতে হবে। দিনের আলো সংরক্ষিত সময় (DST) কার্যকর করতে Automatically adjust clock for Daylight Saving Time ঘরে টিক্ দিন। ফলে ১৯ জুন রাত ১১টা থেকে সময় আপনা আপনি পরিবর্তিত হয়ে এক ঘন্টা এগিয়ে যাবে এবং ৩১ ডিসেম্বর ২০০৯ তারিখে আবার আগের অবস্থানে ঘড়ির সময় ফিরে যাবে।</p>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://omi.net.bd/413/feed</wfw:commentRss>
		<slash:comments>13</slash:comments>
		</item>
	</channel>
</rss>
